ডার্ক মোড
Friday, 26 June 2026
ePaper   
Logo
যাকাত সংগ্রহে দেশসেরা ঢাকার ডিসি ফরিদা খানম

যাকাত সংগ্রহে দেশসেরা ঢাকার ডিসি ফরিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাতীয় পর্যায়ে দেশব্যাপী সর্বোচ্চ পরিমাণ যাকাত সংগ্রহ করে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ঢাকার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানম। সম্প্রতি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যাকাত ফান্ড বিভাগ থেকে জারিকৃত এক সরকারি প্রজ্ঞাপনে এই স্বীকৃতি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেছেন যাকাত ফান্ড বিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান।

মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ফরিদা খানম তাঁর পূর্ববর্তী কর্মস্থল চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এই অসামান্য সাফল্য অর্জন করেন। তাঁর সুদূরপ্রসারী ও গতিশীল নেতৃত্বে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন দেশজুড়ে সরকারি যাকাত তহবিল সংগ্রহ ও সচল করার ক্ষেত্রে শীর্ষ স্থান অধিকার করে। ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ফরিদা খানমের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সরকারি যাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং জনমুখী করতে জেলাজুড়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা, সমন্বয় সভা ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির আয়োজন করেছিল। এই সমন্বিত উদ্যোগগুলোর ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে সরকারি যাকাত তহবিলে অবদান রাখার ক্ষেত্রে ব্যাপক সাড়া ও অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়, যা সামগ্রিক যাকাত সংগ্রহকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, যাকাত-ভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে জেলা প্রশাসনগুলোর এমন সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন যে সফল মডেল বা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা দেশের অন্যান্য জেলার জন্য একটি অনুকরণীয় মানদণ্ড হিসেবে কাজ করবে। ফরিদা খানম বর্তমানে ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত আছেন এবং তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য তিনি সুপরিচিত।

এই অনন্য স্বীকৃতির প্রতিক্রিয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক যাকাত ব্যবস্থাপনার রূপান্তরকারী ক্ষমতার কথা উল্লেখ করে ফরিদা খানম বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোকে আরও বেগবান করতে যাকাত তহবিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সঠিক ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যদি যাকাতের অর্থ প্রকৃত সুবিধাভোগী তথা হকদারদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তবে তা সমাজে স্থায়ী এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম। এই অর্জনকে তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের অন্যতম অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, জনগণের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য এবং জনসেবামূলক সকল কার্যক্রমে তিনি আগামীতেও অত্যন্ত আন্তরিকতা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

আপনি ও পছন্দ করতে পারেন