ডার্ক মোড
Sunday, 08 November 2026
ePaper   
Logo
ওয়াশিংটন বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন  ​

ওয়াশিংটন বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন ​

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি

যথাযোগ্য মর্যাদায় ও প্রাণবন্ত আলোচনার মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে।

শনিবার (০৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি সূচনা করেন রাষ্ট্রদূত তারেক মোঃ আরিফুল ইসলাম।

পরে সকাল ১০টায় দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান প্রথম সচিব মোঃ আবেদুর রহমান এবং দ্বিতীয় সচিব মোঃ আরিফুর রহমান।

অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন কাউন্সিলর ও প্রধান কার্যালয় কর্মকর্তা (এইচওসি) প্রভাষ লামারং।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত তারেক মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, "শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন ও দিকনির্দেশনামূলক নেতৃত্ব বাংলাদেশকে সঠিক পথ দেখিয়েছে। ৭ নভেম্বর তাঁরই নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশৃঙ্খল পরিবেশ থেকে শৃঙ্খলায় ফিরে আসে। সে কারণে বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭ নভেম্বর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন।"

অনুষ্ঠানে দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমি ও তথ্য বিকৃতির প্রসঙ্গ টেনে বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেসব ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত ছিলেন না, বহু বছর ধরে সেসবের দায় অন্যায়ভাবে তাঁর ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
গোলাম মোর্তোজা বিস্তারিত উল্লেখ করে বলেন, "১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ অভ্যুত্থান ঘটান এবং সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করেন। সে রাতেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়, অথচ এর দায় চাপানো হয়েছিল জিয়াউর রহমানের ওপর।"

তিনি আরও বলেন, "শেখ মুজিবের হত্যাকারীদের বিদেশে পাঠানোর সুযোগ করে দিয়েছিলেন খালেদ মোশাররফ। ৪, ৫ ও ৬ নভেম্বর যখন সেনা অফিসারদের হত্যা করা হয়, তখনও জিয়াউর রহমান বন্দী অবস্থায় ছিলেন। ফলে এসব হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত দায় খালেদ মোশাররফ ও কর্নেল তাহেরের। এছাড়া ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অসত্য তথ্য হলো কর্নেল তাহের জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেছিলেন। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, সিপাহী -জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে সাধারণ সৈনিকরাই জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন।
কর্নেল তাহের তাকে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু জিয়াউর রহমান ব্যবহৃত হননি।"

আলোচনা সভা শেষে ৭ নভেম্বরের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

ওয়াশিংটন বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন  ​
ওয়াশিংটন বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন  ​

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

আপনি ও পছন্দ করতে পারেন