ডার্ক মোড
Friday, 17 July 2026
ePaper   
Logo
ভেড়ামারায় পদ্মার ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে ফয়জুল্লাহপুর,ভিটেমাটি রক্ষায় আকুতি নদীপাড়ের মানুষের   

ভেড়ামারায় পদ্মার ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে ফয়জুল্লাহপুর,ভিটেমাটি রক্ষায় আকুতি নদীপাড়ের মানুষের  

আরিফুজ্জামান লিপটন, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া)
একসময় যেখানে ছিল মানুষের বসতি, সবুজ ফসলের মাঠ আর স্বপ্নের ঠিকানা আজ সেই জনপদই ধীরে ধীরে গ্রাস করছে প্রমত্তা পদ্মা। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে। নদীর ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
পদ্মার তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা ভাঙনের কবলে পড়ছে। ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের শত শত পরিবার। 
ইতোমধ্যে অনেক পরিবার পৈতৃক ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা  মোছা. মর্জিনা বেগমসহ অনেকে জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা থেকে শুরু হয়ে ফয়জুল্লাহপুরের পাশ দিয়ে যাওয়া বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে পুরো এলাকার অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে।
মাহাবুল, দবির প্রামানিক, মোস্তফা সহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, বছরের পর বছর নদী ভাঙনের শিকার হলেও স্থায়ী কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিভিন্ন সময় প্রতিশ্রুতি মিললেও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে মানুষের দুর্ভোগ কমছে না।
তাদের দাবি পদ্মায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধসহ ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। 
পানি উন্নয়ন বোর্ড এর আগে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার উদ্যোগ নিলেও পদ্মার প্রবল স্রোত ও নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। শুধু জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ নয়, প্রয়োজন টেকসই প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ।
কুষ্টিয়া-২ (ভেড়ামারা- মিরপুর) আসনের সংসদ সদস্য  আব্দুল গফুর বলেন, “আমি এর আগেও ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ফয়জুল্লাহপুর এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।”
 

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন