ডার্ক মোড
Thursday, 20 August 2026
ePaper   
Logo
বাউফলে পরিত্যক্ত ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মচারীদের বসবাস

বাউফলে পরিত্যক্ত ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মচারীদের বসবাস

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের কাছেই পাশাপাশি থাকা ছয়টি দ্বিতল সরকারি ভবন দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। ভবনগুলো পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও এর মধ্যে চারটি পরিবার সন্তানদের নিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।


সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনও কার্যালয়ের অদূরে পাশাপাশি ছয়টি দ্বিতল ভবনের বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়েছে। ছাদ দিয়ে পানি চুইয়ে পড়ে। অনেক দরজা-জানালা ভাঙা। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় ভবনগুলোর বিভিন্ন অংশ নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। ফলে ভবনগুলো বর্তমানে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে।


জানা গেছে, এসব ভবনে উপজেলা পরিষদের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের পরিবার বসবাস করে আসছেন। বর্তমানে চারটি পরিবার সেখানে বসবাস করছে। তাদের মধ্যে শিশু ও অন্যান্য সদস্যও রয়েছেন।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী বলেন, “থাকার জন্য অন্য কোনো বাসা বরাদ্দ না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছি। আমাদের জন্য দ্রুত অন্যত্র বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হলে এই ঝুঁকি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।”


স্থানীয়রা জানান, উপজেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয়ের চত্বরে এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পরিবার নিয়ে কর্মচারীদের বসবাস অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে বসবাস করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেশি। যেকোনো সময় ছাদ, দেয়াল বা ভবনের কোনো অংশ ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোতে বসবাসরত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ারএবংএর পাশাপাশি পরিত্যক্ত ভবনগুলো অপসারণ বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দাবি জানিয়েছেন তারা।


এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, “জরাজীর্ণ ভবনগুলো পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। যারা বসবাস করছেন তাদেরকে বাসা ছাড়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

আপনি ও পছন্দ করতে পারেন