'আলোকিত লালমনিরহাট'-এর উদ্বোধন: শনিবার লালমনিরহাট যাচ্ছেন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
লালমনিরহাট প্রতিনিধি
সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচি 'আলোকিত লালমনিরহাট'-এর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামীকাল শনিবার (৪ জুলাই) লালমনিরহাটে আসছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি। এলজিআরডি মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলও লালমনিরহাটে আসবে। এই প্রতিনিধি দলে থাকবেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, এমপি।
শনিবার বিকেল ৩টায় শহরের ঐতিহাসিক এম টি হোসেন ইনস্টিটিউট মাঠে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুরু হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান। মন্ত্রীদের এই আগমনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে পুরো জেলা শহরকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। শহরের প্রধান প্রধান মোড় ও রাস্তার আইল্যান্ডগুলো ব্যানার, প্লেকার্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে এবং জনসমাগম সামাল দিতে অনুষ্ঠানস্থলে একটি বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে।
এই মহতী উদ্যোগের বিষয়ে 'আলোকিত লালমনিরহাট'-এর প্রতিষ্ঠাতা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি বলেন, এই প্ল্যাটফর্মটি মূলত সমাজে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে একটি কঠোর আন্দোলন। তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাদক, জুয়া, বাল্যবিয়ে এবং যৌতুক এখন প্রায় প্রতিটি পরিবারে নীরব আতঙ্কে পরিণত হয়েছে, যা প্রতিনিয়ত সুন্দর পরিবারগুলোকে ভেঙে দিচ্ছে, শিশুদের ভবিষ্যৎ বিপন্ন করছে এবং অসংখ্য স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করছে। তাই এখন আর চুপ করে থাকার সময় নেই, বরং এসব সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার উপযুক্ত সময় এসেছে।
মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু আরও উল্লেখ করেন যে, এটি কেবল কোনো প্রথাগত বা সাধারণ অনুষ্ঠান নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত করার একটি দৃঢ় অঙ্গীকার ও আহ্বান। তিনি এই মহৎ লড়াইকে কোনো একক ব্যক্তির লড়াই না ভেবে একটি সম্মিলিত আন্দোলন হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। একই সাথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সমাজ গঠনে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাশে দাঁড়াতে সর্বস্তরের নাগরিকদের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান।

