নীলফামারীর এক বিদ্যালয় থেকে কেউ পাশ করেনি
কামারুজ্জামান, নীলফামারী সংবাদদাতা
নীলফামারীর ডোমারের আমবাড়ী বালিকা উ”চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীায় অংশ নিয়েছিল ১০ শিক্ষার্থী তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ চিত্র সামনে আসে।
সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, রয়েছে ভবন, শ্রেণিক, শিক-কর্মচারী এবং সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দে নির্মিত একাধিক অবকাঠামো। তবে শিক্ষার্থী কাঙ্তি উপ¯ি’তি নেই। নিয়মিত পাঠদানেও নেই সন্তোষজনক পরিবেশ। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়ের খাতায়-কলমে শিার্থী রয়েছে ১৫৫ জন। অথচ প্রতিদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয় মাত্র ২০ থেকে ৩০ জন।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে এক একরেরও বেশি জমির ওপর আমবাড়ী বালিকা উ”চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০০ সালে বিদ্যালয়টির নিম্ন মাধ্যমিক শাখা এমপিওভুক্ত হয়। পরে ২০০৪ সালে মাধ্যমিক শাখায় পাঠদানের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থী না থাকায় নিম্ন মাধ্যমিক শাখার শিকখখদের দিয়েই মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠদান পরিচালনা করা হ”েছ বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিকখখরা। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ছয়জন শিক্ষার্থী ও ছয়জন কর্মচারী রয়েছেন।
আমবাড়ী বালিকা উ”চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিকখক জিকরুল হক বলেন, ‘শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে না আসা এবং অভিভাবকদের অসচেতনতা বড় সমস্যা। এর সঙ্গে বাল্যবিবাহ ও শিক সংকট রয়েছে। এসব কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা ব্যাহত হ”েছ। এজন্য এবার এসএসসি পরীায় ভালো ফলাফল করা সম্ভব হয়নি।’
তবে ¯স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গাফিলতি এবং সরকারি পর্যায়ে যথাযথ নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টির শিক্ষা ব্যব¯’া দুর্বল হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে ডোমার উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. সাফিউল ইসলাম বলেন, ‘আমবাড়ী বালিকা উ”চ বিদ্যালয়ের ফলাফলের প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যব¯’া গ্রহণ করা হবে।’

