এলজিইডি'র প্রভাতী প্রকল্প প্রকল্প : তিস্তা অববাহিকায় বদলে যাচ্ছে জীবন-জীবিকা
স্টাফ রিপোর্টার
তিস্তা নদীবেষ্টিত রংপুর বিভাগের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দুর্যোগ সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ‘প্রভাতী’ প্রকল্প। উন্নয়ন কর্মকান্ডে স্থানীয় মানুষকে সরাসরি সম্পৃক্ত করার ফলে শুধু অবকাঠামোই নয়, বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবন-জীবিকাও।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ‘অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রভাতী প্রকল্পটি ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যাগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট (ইফাদ)-এর অর্থায়নে ২০১৮ সালের জুলাই মাসে শুরু হয়। বর্তমানে রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, রংপুর, নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার ২৫টি উপজেলায় প্রকল্পটির বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ, হাটবাজার উন্নয়ন, বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামোর নকশা প্রণয়ন এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
তিস্তা নদীবেষ্টিত রংপুর বিভাগের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দুর্যোগ সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ‘প্রভাতী’ প্রকল্প। উন্নয়ন কর্মকান্ডে স্থানীয় মানুষকে সরাসরি সম্পৃক্ত করার ফলে শুধু অবকাঠামোই নয়, বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবন-জীবিকাও।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ‘অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে ঝু ঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রভাতী প্রকল্পটি ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যাগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট (ইফাদ)-এর অর্থায়নে ২০১৮ সালের জুলাই মাসে শুরু হয়। বর্তমানে রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, রংপুর, নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার ২৫টি উপজেলায় প্রকল্পটির বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ, হাটবাজার উন্নয়ন, বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামোর নকশা প্রণয়ন এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমপরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। রংপুরেরকাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর, ভাইয়ারহাট, হারাগাছ ও
মীরবাগ এলাকায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র এবং হাটবাজার উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। গঙ্গাচড়া উপজেলায়ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ও হাটবাজার উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

প্রকল্পের একটি ব্যতিক্রমধর্মী দিক হলো এখানে বাজার উন্নয়নের ক্ষেত্রে ঠিকাদারের পরিবর্তে স্থানীয় হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক দল হিসেবে কাজের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এসব দলের প্রায় ৮০ শতাংশ সদস্য নারী। নির্মাণকাজ শুরুর আগে তাদের পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে নির্মাণসামগ্রী ক্রয়, শ্রম ব্যবস্থাপনা ও কাজের আর্থিক হিসাব-নিকাশ সম্পর্কে হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়। কাউনিয়ার খানসামা হাট নির্মাণের আগে মাইকিং করে স্থানীয়দের আবেদন গ্রহণ করা হয়। পরে লটারির মাধ্যমে শ্রমিক নির্বাচন করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। ফলে উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছে স্থানীয় মানুষের কাছে।
এ ছাড়া দুই উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার বেকার যুবক ও যুব নারীকে ৪৫ দিনের আবাসিক কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে অনেকে নিজস্ব উদ্যোগে ব্যবসা শুরু করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে বন্যার পূর্বাভাস প্রচার, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে গবেষণা এবং দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে।

