ডার্ক মোড
Sunday, 05 July 2026
ePaper   
Logo
রেলওয়ের জমি নিয়ে জামায়াত আমিরের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেন ফরিদপুরের বিএনপি নেতা

রেলওয়ের জমি নিয়ে জামায়াত আমিরের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেন ফরিদপুরের বিএনপি নেতা

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান করেছেন। রোববার বোয়ালমারী পৌর ভবনের পাশে অবস্থিত পাঞ্জেরী মডেল মাদ্রাসায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু দাবি করেন, বোয়ালমারী পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর আমির সৈয়দ নিয়ামুল হাসানের করা অভিযোগগুলোর কোনো বাস্তব বা তথ্যগত ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বৈধ দখলে থাকা রেলওয়ের একটি প্লট মো. আবুল কাশেম মাহমুদ নামে এক ব্যক্তির নামে বরাদ্দ দেওয়ার উদ্দেশ্যে পূর্বে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছিল।

ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করে এই বিএনপি নেতা জানান, পরবর্তীতে জালিয়াতি ও অনিয়ম ধরা পড়ার পর রেলওয়ের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি ও ইমারত দপ্তরের ডেপুটি কমিশনার ২০০৫ সালের ২২ নভেম্বর আবুল কাশেম মাহমুদের লাইসেন্স বাতিল করেন এবং তাঁর জমা দেওয়া ফি বাজেয়াপ্ত করেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে মাহমুদ হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করলেও মামলার আইনি দিক ও নথিপত্র বিবেচনা করে আদালত চূড়ান্তভাবে ঝুনুর পক্ষেই রায় প্রদান করেন।

রেলওয়ের সম্পত্তি অবৈধভাবে বিক্রি করার অভিযোগটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে ঝুনু স্পষ্ট করেন যে, স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী সরাসরি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বৈধ বাণিজ্যিক লিজ নিয়ে এবং প্রয়োজনীয় সব আইনি কাগজপত্র মূলে সেখানে কাঠামো নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তিনি অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ মহল সুপরিকল্পিতভাবে সমাজ ও দলে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই মনগড়া অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান বাবু, সাবেক পৌর কাউন্সিলর মিনহাজুর রহমান লিপন এবং বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম মুকুল মিয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

আপনি ও পছন্দ করতে পারেন