ডার্ক মোড
Tuesday, 01 September 2026
ePaper   
Logo
বরিশাল বিভাগে প্রতি বছর ৩০ হাজার মানুষের চোখে ছানি: 'ভিশন ২০৩০' বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের তাগিদ ​

বরিশাল বিভাগে প্রতি বছর ৩০ হাজার মানুষের চোখে ছানি: 'ভিশন ২০৩০' বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের তাগিদ ​

বিশেষ প্রতিবেদক, বরিশাল:
বরিশাল বিভাগে প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চোখে ছানি পড়া সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। অথচ ১ কোটি মানুষের এই বিভাগে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যতীত অন্য কোনো সরকারি হাসপাতালে চক্ষু বিভাগে সিনিয়র বা জুনিয়র কনসালটেন্ট নেই। ফলে সাধারণ মানুষকে চোখের সেবাপ্রাপ্তিতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় ব্র্যাক লার্নিং সেন্টার বরিশালের মিলনায়তনে আয়োজিত 'বরিশাল ভিশন ২০৩০' সংক্রান্ত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব তথ্য জানান। 'বরিশাল বিভাগে ছানি পড়া রোগীর সংখ্যা দূরীকরণ: অভিজ্ঞতা বিনিময় ও আলোচনা' শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়। এতে সহযোগিতা করে দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার বলেন, "বরিশাল বিভাগের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ছানিমুক্ত চক্ষুসেবা দিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলার বাইরে বিভাগের বাকি সব জেলায়ও এ সেবাকে সম্প্রসারিত করতে হবে।" এসময় তিনি শিশুদের মাত্রাতিরিক্ত মোবাইল দেখার ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে সকল চক্ষুসেবা কেন্দ্রে 'ভিশন স্ক্রিনিং' বাড়ানোর তাগিদ দেন। স্বাস্থ্য বিভাগে কাজ করতে গিয়ে এনজিও বা উন্নয়ন সংস্থাগুলো কোনো সমস্যার মুখোমুখি হলে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।
সভায় দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশনের দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের ক্লাস্টার পরিচালক মুসাব্বির আলম জানান, ২০১২ সাল থেকে তারা বরিশাল বিভাগে চক্ষুসেবায় কাজ করছেন। ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বিভাগের প্রায় ৬০ হাজার ছানি পড়া রোগীর সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বরিশাল জেলা ব্যতীত বিভাগের বাকি ৫টি জেলায়ও ছানি দূরীকরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে সম্প্রসারিত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মো. আনোয়ার হোসেন এবং চক্ষু বিভাগের প্রধান ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভাগের বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন, উপজেলা মেডিকেল অফিসার, সরকারি কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

আপনি ও পছন্দ করতে পারেন