ডার্ক মোড
Wednesday, 12 August 2026
ePaper   
Logo
তৈরি পোশাক খাতে পরিবেশগত অনুবর্তিতায় বাস্তবসম্মত ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগের ওপর পরিবেশমন্ত্রীর জোর

তৈরি পোশাক খাতে পরিবেশগত অনুবর্তিতায় বাস্তবসম্মত ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগের ওপর পরিবেশমন্ত্রীর জোর

স্টাফ রিপোর্টার

শিল্পের বাস্তবতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতাকে বিবেচনায় রেখে তৈরি পোশাক (আরএমজি) ও টেক্সটাইল খাতে পরিবেশগত অনুবর্তিতা (এনভায়রনমেন্টাল কমপ্লায়েন্স) নিশ্চিত করতে কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি।

মঙ্গলবার ঢাকার পরিবেশ অধিদপ্তরের (ডিওই) সম্মেলন কক্ষে তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের প্রধান প্রধান পরিবেশগত বিষয় পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

সভায় বর্জ্য শোধনাগারের (ইটিপি) রঙের মাত্রা, জিরো লিকুইড ডিসচার্জ (জেডএলডি) বাস্তবায়ন, পানির পুনঃব্যবহার, থ্রি-আর (রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল) নীতি, পরিবেশগত নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার নির্ভুলতা, মিরর টেস্টিং মেকানিজম, পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপন, জেনারেটরের শব্দ নিয়ন্ত্রণ, বায়ু দূষণ ব্যবস্থাপনা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পানি পুনর্ব্যবহারযোগ্যকরণ, পানির দক্ষ ব্যবহার এবং রিজেক্ট ওয়াটার ব্যবস্থাপনাসহ পরিবেশ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানি কারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান খাতটির নানা প্রযুক্তিগত ও ব্যবহারিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে একটি লিখিত প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

জাতীয় অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আরও পরিবেশবান্ধব, সম্পদের দক্ষ ব্যবহারে সক্ষম এবং টেকসই করতে পরিবেশগত আইন ও বিধিমালার কঠোর অনুসরণ আবশ্যক।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি পরিবেশ সুরক্ষার সাথে টেকসই শিল্প উন্নয়নের সমন্বয় ঘটানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটিতে মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, ব্যবসায়ী সংগঠন ও অন্যান্য অংশীজনদের মধ্যে ধারাবাহিক প্রযুক্তিগত সমন্বয় বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়। এছাড়া স্ল্যাজ ব্যবস্থাপনার জন্য ইনসিনারেশন প্ল্যান্ট এবং ইটিপিতে রাসায়নিকের কার্যকর ব্যবহারের বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞের মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহসহ মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ অধিদপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিজিএমইএ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

আপনি ও পছন্দ করতে পারেন