নির্বাচনকালে ভোটারদের দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন এমপি মোশাররফ
গোফরান পলাশ, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নতুন করে '১৩ নং হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদ' নামে ইউনিয়ন গঠন করে নির্বাচনকালে ভোটারদের দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন এমপি মোশাররফ। ৫নং নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদকে বিভাজন করে নতুন এ ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন ইউনিয়ন গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন পত্রে স্বাক্ষর করায় কলাপাড়া উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা হল ১৩টি, পৌরসভা ২টি, থানা ২টি।
জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১৪, পটুয়াখালী-৪ নির্বাচনী এলাকা থেকে বিশাল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন তাঁর নির্বাচনী প্রচারনা কালে নীলগঞ্জের ভোটারদের দেয়া প্রতিশ্রুতি রেখেছেন। এতে নতুন ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত গ্রাম গুলোতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।
নীলগঞ্জ ইউনিয়ন বিভাজন করে পুনর্গঠিত ৫ নং নীলগঞ্জ ইউনিয়নটি নীলগঞ্জ, নবীপুর, কুমির মারা, টুঙ্গিবাড়ীয়া ও সোনাতলার মৌজার কিছু অংশ সহ ২৫টি গ্রাম নিয়ে পুনর্গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ১৩ নং হাজীপুর ইউনিয়ন উমেদপুর, হাজিপুর ও সোনাতলা মৌজার কিছু অংশ সহ ২৪টি গ্রাম নিয়ে নতুন ভাবে গঠন করা হয়েছে। নীলগঞ্জ ইউনিয়নের জনসংখ্যা ২১, ৯৮০। পুরুষ ১০, ৭৪৪ এবং মহিলা ১১, ২৩৬। হাজীপুর ইউনিয়নের জনসংখ্যা ২০, ৬০০। পুরুষ ১০, ০৬৯ এবং মহিলা ১০, ৫৩১।
নীলগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি'র সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আবুল হোসেন বলেন, 'সংসদ নির্বাচনের প্রচারনার সময় নীলগঞ্জের মানুষের নতুন একটি ইউনিয়নের দাবী ছিল। আমাদের নেতা এবিএম মোশাররফ এমপি হয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ভোটারদের সেই দাবী পূরন করেছেন।'
আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি গনমাধ্যমকে বলেন, 'আমি এমপি নির্বাচিত হয়ে প্রথমেই ভোটারদের দেয়া আমার নির্বাচনী ওয়াদা গুলো পূরণে ইতিমধ্যে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন বিভাজনের কাজ সম্পন্ন করেছি, যা আগামী রবি সোমবারের মধ্যে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশন হবে। এছাড়া মহিপুরকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। রাঙ্গাবালীতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপন, কলাপাড়ায় নতুন করে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ স্থাপন এবং যুগ্ম জেলা জজ আদালত পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া স্থানান্তর করা হয়েছে।'
এবিএম মোশাররফ আরও বলেন,' সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নে ইতিমধ্যে ৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দে ৫০ কি.মি. নতুন সড়ক নির্মাণ কাজের অনুমোদন হয়েছে, যার ৩. ৫ কি.মি. নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। ১২টি ব্রীজের প্রস্তাব করা হয়েছে। যার দুইটি অনুমোদন হয়েছে, বড় পাঁচটি ডিজাইনের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া বি-সেফ প্রকল্পের অধীন ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের দুইটি নতুন সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ সহ সড়ক উন্নয়ন ও রক্ষনাবেক্ষন কাজের অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।'

