সার্কের ঢাকা দক্ষিণের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক সালমান
নিজস্ব প্রতিনিধি:
সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের ৫৯ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন পটুয়াখালীর গলাচিপার সন্তান ও জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের স্টাফ রিপোর্টার তারেক সালমান। তিনি ঢাকাস্থ পটুয়াখালী জার্নালিস্ট ফোরামেরও সদস্য।
গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সংগঠনটির সভাপতি বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া ও মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলীর স্বাক্ষরে কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে কে এম মোতালিব হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সৈয়দ মহিউদ্দিন শাহ দায়িত্ব পেয়েছেন।
অনুমোদনপত্রে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার মাধ্যমে এলাকার অসহায়, নির্যাতিত ও অধিকারবঞ্চিত মানুষের মানবাধিকার সুরক্ষা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে সংগঠনটি। ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষ ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সবার অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক মর্যাদা রক্ষায় কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এ ছাড়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ গ্রহণ, সংশ্লিষ্ট ঘটনা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনে উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশনা রয়েছে অনুমোদনপত্রে।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় তারেক সালমান বলেন, “আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও শ্রম দিয়ে কাজ করে যাব। আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তার মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট থাকব।”
তিনি আরও বলেন, “সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখাকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে কাজ করব। পাশাপাশি সমাজের নির্যাতিত, নিপীড়িত ও অধিকারবঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার চেষ্টা করব। মানবিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানুষের মর্যাদা রক্ষাকে আমি নৈতিক দায়িত্ব মনে করি।”
নতুন কমিটির মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এলাকায় মানবাধিকার সুরক্ষা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অধিকারবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
নতুন দায়িত্ব পালনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা, পরামর্শ ও দোয়া কামনা করেছেন তারেক সালমান।
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

