ডার্ক মোড
Friday, 30 October 2026
ePaper   
Logo
২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মোঃ লাভলু শেখ লালমনিরহাট
 
 
আগামী ২০২৭ সালের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী বহু প্রতীক্ষিত ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’র কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
 
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর সকালে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
 
তিস্তা মহাপরিকল্পনার অগ্রগতি তুলে ধরে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে তিস্তা ইস্যু নিয়ে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের টেকনিক্যাল পর্যায়ে কথা হয়েছে। নদী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি কাজ করছে। আমরা তিস্তার ফিজিবিলিটি স্টাডি (সম্ভাব্যতা যাচাই) প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। অর্থমন্ত্রী ফিরে আসলেই আমরা হয়তো এর অনুমোদন পেয়ে যাব।
 
প্রকল্পের নিখুঁত পরিকল্পনার জন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোর কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সিইজিআইএস (CEGIS), নদী কমিশনের কর্মকর্তা ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস এবং মালয়েশিয়া থেকেও আমরা পরামর্শ নিচ্ছি। সব পরামর্শের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) তৈরি করা হবে। কোন পদ্ধতিতে কাজ করলে এখানকার মানুষ সবচেয়ে বেশি সুফল পাবে, তা নিশ্চিত করতেই ওই ডিপিপি তৈরি করতে আরও ৮/৮ মাস সময় লাগবে।
 
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ঘটবে উল্লেখ করে, মন্ত্রী বলেন, ওই মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুর,এই ৫টি জেলার প্রায় ৩ কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হবে এবং প্রত্যাশা পূরণ হবে।
 
মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খালটির গুরুত্ব তুলে ধরে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, আগামী ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী আসবেন এবং তাঁকে দিয়েই দৃষ্টিনন্দন ওই খালটির উদ্বোধন করানো হবে। এর ফলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি সেচ সুবিধা পাবে। খালের ২ ধারে বৃক্ষরোপণ করা হবে। যা নতুন লালমনিরহাটের দ্বার উন্মোচন করবে।
 
পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহা  রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা সুনীল কুমার,  লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাসসহ স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
 

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন