ডার্ক মোড
Saturday, 11 July 2026
ePaper   
Logo
মোবাইল ছিনতাই মামলয় বিনাবিচারে চার মাস ধরে জেলহাজতে এক দিনমজুর

মোবাইল ছিনতাই মামলয় বিনাবিচারে চার মাস ধরে জেলহাজতে এক দিনমজুর

খোরশেদ আলম, শেরপুর 

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মোবাইল ফোন ছিনতাই মামলায় আমিনুল ইসলাম (৩৫) নামে এক দিনমজুর বিনা বিচারে ৪ মাস ধরে শেরপুর জেলা কারাগারে রয়েছে। আমিনুল ইসলাম, উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের হলদীগ্রাম সীমান্তের গারোকোনা গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। স্থানীয় আমিনুল ইসলামের বসবাসের কোন ঘর নেই। নেই কোন সহায় সম্বল। ৩ শিশু সন্তানসহ ৫ সদস্যদের পরিবার আমিনুল ইসলামের। দিনমজুরি করে চলতো তার সংসার। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারনে বর্তমানে কোনো কাজ কর্ম করতে পারে না সে । স্থানীয়রা জানান, গারোকোন চৌরাস্তা বাজারে কাচামাল ব্যবসায়ীদের দোকানে দোকানে সারাদিন পানি বিক্রি করে যা আয় হয় তাই দিয়ে কোনো রকমে খেয়ে না খেয়ে চলে তার সংসার গত ৮ জানুয়ারি একই গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে সুলতান মিয়া (৪০) একটি আইফোন মোবাইল মেরামতের জন্য শেরপুর জেলা সদরে পাঠায় আমিনুল ইসলামকে। আমিনুল ইসলাম মোবাইল ফোনটি একটি মোবাইল ফোনের দোকানে নিয়ে গেলে চোরাই মোবাইল ফোন হিসেবে আমিনুল ইসলাম আটক হয়। পরে শেরপুরের মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে হাসিবুর হাসান নামে শেরপুরের একজন ফোন ব্যবসায়ী বাদি হয়ে আমিনুল ইসলামসহ আরো কয়েক জনের নামে ঝিনাইগাতী থানায় একটি ছিনতাই মামলা দায়ের করেন। পরে থানা পুলিশ আমিনুল ইসলাম আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠায়। মামলা সুত্রে জানা গেছে, গত ২ জানুয়ারি শেরপুরের মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে শতাধিক ব্যবসায়ী ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী অবকাশ কেন্দ্রে পিকনিকে আসেন। বিকেলে অবকাশ কেন্দ্রে ধারালো অস্ত্রশস্ত্রসহ বেশ কিছু সংখ্যক ছিনতাইকারী ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনগুলো ছিনতাই করে নিয়ে যায়। ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে ওই মোবাইল ফোনটিও একটি। এ বিষয়ে সুলতান মিয়ার সাথে কথা হলে সে জানায়, ফোনটি সে আমিনুল ইসলামকে মেরামতের জন্য দিয়েছে। তবে ফোনটি সে ছিনতাই করেনি। একই গ্রামের মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে আবু মিয়ার কাছ থেকে পেয়েছে । অথচ ওই মামলার আসামী হয়ে বিনা বিচারে গত ৪ মাস ধরে কারাগারে রয়েছে। টাকা পয়সার অভাবে আমিনুল ইসলামের জামিনের আবেদনও করতে পারছে না পরিবারের সদস্যরা। নলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুকুনুজ্জানের সহায়তায় কোনরকমে খেয়ে না খেয়ে চলছে তার পরিবারের ৪ সদস্যের । চেয়ারম্যান রুকুনুজ্জান বলেন, আমিনুল ইসলাম একজন দিনমজুর ও সহজ সরল নিরিহ স্বভাবের লোক। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই উমর ফারুকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমিনুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের বলা হয়ে

 

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

আপনি ও পছন্দ করতে পারেন