পয়েন্ট সমান, জয় সমান, দ্বিতীয় টাই-ব্রেকারে শততম আসরের শিরোপা ক্যান্টারবুরির
স্পোর্টস ডেস্ক
দুই দলের পয়েন্ট সমান ৯৯। আট ম্যাচে দুই দলেরই জয় চারটি করে। শেষ পর্যন্ত ভাগ্য নির্ধারিত হলো দ্বিতীয় টাই-ব্রেকার বা নেট রান রেটে। সেখানে ওটাগোকে অনেকটা ব্যবধানে পেছনে ফেলে প্লাঙ্কেট শিল্ডের শিরোপা জিতে নিল ক্যান্টারবুরি।
নিউ জিল্যান্ডের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের এই টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছিল ১৯০৬-০৭ মৌসুমে। তবে এবার টুর্নামেন্টটির শততম আসর। ২১তম শিরোপা জিতে আসরটি স্মরণীয় করে রাখল ক্যান্টারবুরি।
পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে থেকেই শেষ রাউন্ড শুরু করেছিল ক্যান্টারবুরি। অকল্যান্ডকে ২৮০ রানে আটকে রেখে প্রথম ইনিংসে ৫৯১ রানের পাহাড় গড়েই রান রেট বাড়িয়ে নেয় তারা। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ড্র হয়েছে। তবে তাদের মূল কাজ হয়ে গেছে।
শেষ রাউন্ডে ওয়েলিংটনকে ৪ উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট ও জয় সমান করে ফেলে ওটাগো। কিন্তু রান রেটে পেরে ওঠেনি।
রেকর্ড ২৪ বারের চ্যাম্পিয়ন অকল্যান্ড এবার হয়েছে চতুর্থ।
রান রেটে ট্রফি জিতলেও ক্যান্টারবুরির অধিনায়ক হেনরি নিকোলসের মতে, এই সাফল্য তাদেরই প্রাপ্য ছিল।
“আমাদের জন্য এবং আমার মনে হয় বেশিরভাগ দলের জন্যই, এটি (প্লাঙ্কেট শিল্ড) হলো সাফল্যের চূড়া। সবচেয়ে কঠিন সংস্করণ এটি এবং আমরা জানি, এটি অর্জন করতে কতটা কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।”
“মৌসুমের শুরুর দিকে ফিরে তাকালে, এখন এখানে এসে পৌঁছানো… আমার মতো কিছু ক্রিকেটার এটা কয়েকবার জিতেছে, কিন্তু যারা জেতেনি, তাদের জন্য এটা এক অবিশ্বাস্যরকম বিশেষ অনুভূতি। এ বছর আমরা এত ভালো ক্রিকেট খেলেছি যে, এরকম কিছু একটা আমাদের প্রাপ্যই ছিল। যদিও সবসময় প্রাপ্যটা সবাই পায় না, তবে আমরা পেয়েছি এবং এটা দারুণ অনুভূতি।”
ক্যান্টারবুরির সাফল্যে বড় অবদান নিকোলসেরই। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে ৫৮ টেস্ট খেলা ৩৪ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান সাত ম্যাচ খেলে আসরের সর্বোচ্চ ৮৭০ রান করেছেন ৯৬.৬৬ গড়ে। রানের তালিকায় দুইয়ে থাকা ব্র্যাড শুমিলিয়ান তিন ইনিংস বেশি খেলেও করেছেন ৭১৭ রান।

