ডার্ক মোড
Saturday, 08 August 2026
ePaper   
Logo
নরসিংদী জেলা কারাগার নিমার্ণে কাজ না করেই ১৫ কোটি টাকা লুটের অভিযোগ

নরসিংদী জেলা কারাগার নিমার্ণে কাজ না করেই ১৫ কোটি টাকা লুটের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার নরসিংদী

নরসিংদী জেলা কারাগার নিমার্ণে চরম দূণীর্তির অভিযোগ উঠেছে, কাজ না করেই ১৫ কোটি টাকা বিল নিয়ে পালিয়েছে বিশ^াস ট্রেডিং এন্ড কনস্ট্রাকশন নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান । নরসিংদী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজসে দুণীর্তির মাধ্যমে ১৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এ নিয়ে নরসিংদীর সচেতন মহল, ঠিকাদার ও সরকারী অফিসের কর্মকর্তাদের মাঝে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। জনশ্রম্নতি রয়েছে ঠিকাদারের কাছ থেকে দুণীর্তির টাকার ভাগ নিয়ে রাজধানী ঢাকায় প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল ফ্লাট কিনেছে নরসিংদী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম মুছা। কিছুদিন বিষয়টি গোপন থাকলেও নিমার্নাধীন জেলখানার কাজ বন্ধ থাকা, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হওয়ায় ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাউকে খোঁজে না পাওয়ায় দুণীর্তির বিষয়টি প্রকাশ হতে শুরু করে।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ^াস ট্রেডিং এন্ড কনস্ট্রাকশন নির্মানাধীন নরসিংদী জেলা কারাগারের টেন্ডারে অংশগ্রহন করে ৬৭ কোটি টাকার কাজ পায়। উক্ত টাকার কাজের প্রায় ৫০ কোটি টাকা বিল উত্তোলন করে। গণপূর্ত বিভাগের কর্তৃপক্ষ পরিদর্শণকালে দেখতে পায় ৫০ কোটি টাকার কাজের মধ্যে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। অতিরিক্ত ১৫ কোটি টাকা কাজ না করেই জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজসে হাতিয়ে নেয়। অনিয়ম দুণীর্তির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে ঠিকাদার পালিয়ে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ তদন্তপূর্বক ২ বছরের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলে সুপারিশ করেছে।


নরসিংদী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম মুছা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট হিসেবে নরসিংদীর সর্বমহলে পরিচিত। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দুর্দণ্ড প্রতাপে নিজের ইচ্ছেমতো আওয়ামী লীগের লোকজনকে কাজ দিয়ে পুরষ্কৃত করা সহ দুণীর্তির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তার অনিয়মের জন্য নব নির্মিত নরসিংদী জেলা কারাগারের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হবেনা বলে অভিজ্ঞ মহল মতামত ব্যক্ত করেছেন। বর্তমান সরকারের আমলেও ফ্যাসিস্টদের সাথে উক্ত প্রকৌশলী নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন। দুণীর্তি দমন কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত করলে প্রকৌশলীর কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার মাধ্যমে নামে বেনামে অর্জিত সম্পদ অর্জণের সত্যতা পাওয়া যাবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

আপনি ও পছন্দ করতে পারেন