ডার্ক মোড
Thursday, 22 February 2024
ePaper   
Logo
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এলাকা পরিচালক নির্বাচনে জাল ভোট ও অনিয়মের অভিযোগ

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এলাকা পরিচালক নির্বাচনে জাল ভোট ও অনিয়মের অভিযোগ

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ৫ নং ফিডারের আওতা ভূক্ত এলাকা পরিচালক নির্বাচনে ভোট গ্রহণে জাল ভোট প্রদান, এজেন্টকে বুথ থেকে বের করে দেওয়া ও ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বাঁধা দেওয়া সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (০২ ডিসেম্বর) পাঁচবিবি এলবিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলাচলা কালীন সময়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব অভিযোগ করেন পরিচালক পদে নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী ছাতা প্রতীকের প্রার্থী মোঃ রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত তার সমর্থিত ভোটাদের প্রতিপক্ষ চেয়ার প্রতীকের প্রার্থী মোঃ আব্দুর রশিদ ফকিরের কর্মী-সমর্থকরা ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে বাঁধা প্রদান করেছে এবং ভোট কেন্দ্রের ৮নং বুথে ছাতা প্রতীকের এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন ম্যানুয়াল অনুযায়ী অক্টোবর মাসের পরিশোধিত বিলের কপি ও জাতীয় পরিচয় পত্রের মূলকপি নিয়ে ভোট দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছেনা এবং নির্বাচনে ব্যাপক জাল ভোট দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মৌখিক অভিযোগ করেও কোনো লাভ হয়নি।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে আব্দুর রশিদ ফকিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজনই জাল ভোট দিয়ে আমার উপর দোষ চাপিয়ে দিচ্ছে। তবে ভোট এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু হচ্ছে।

পাঁচবিবি উপজেলার নওদা এলাকার ভোটার জাহাঙ্গীর হোসেন, বেলা ১২ টার দিকে পাঁচবিবি এলবিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের ৪নং বুথে ভোট দিতে তার ভোট আগেই দেওয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট পোলিং অফিসার। বিষয়টি তাৎক্ষণিক দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে বাড়ী ফিরে যান তিনি।

বড়মানিক গ্রামের আবু তাহের বলেন, নিয়মিত বিল পরিশোধের পরও ভোটার তালিকায় তার নাম নেই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, রির্টানিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের প্রধান বাংলাদেশ পল্লীবিদ্যুতায়ণ বোর্ডের অভ্যন্তরীণ নিরিক্ষা পরিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) মোঃ আবুল খায়ের দফাদার প্রার্থীর করা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সুষ্ঠু ও মনোরম পরিবেশে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। তবে, জাল ভোট ও অনিয়ম থাকলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ নির্বাচনে মোট ৩৭ হাজার ৪৭৯ জন ভোটার রয়েছেন।

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন