ডার্ক মোড
Thursday, 25 June 2026
ePaper   
Logo
পলাশে রক্তাক্ত বৃদ্ধকে গুমের চেষ্টাকালে মাইক্রোবাস চালক আটক পরে হাসপাতালে বৃদ্ধের মৃত্যু

পলাশে রক্তাক্ত বৃদ্ধকে গুমের চেষ্টাকালে মাইক্রোবাস চালক আটক পরে হাসপাতালে বৃদ্ধের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার, নরসিংদী

নরসিংদী-ঘোড়াশাল সড়কের পলাশ উপজেলার ভাগদী এলাকায় এক গুরুতর আহত রক্তাক্ত বৃদ্ধকে গুম করার চেষ্টাকালে মাইক্রোবাসের চালক মনির হোসেনকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। গতকাল বুধবার সকালে উল্লেখিত এলাকার এক নির্জন স্থানে মুমুর্ষ এক বৃদ্ধকে মাইক্রোবাস থেকে ফেলে দেয়ার সময় স্থানীয় লোকজন মাইক্রোবাস চালক মনির হোসেনকে আটক করে। পরে তাকে গণধোলায় দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

আটককৃত মাইক্রোবাস চালক মনির হোসেন বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চিরাপাড়া গ্রামের মৃত জলিল হাওলাদারের ছেলে বলে জানান তিনি। উদ্ধারকৃত বৃদ্ধের নাম রিপন মিয়া (৫৫)। তিনি ঢাকার কেরাণীগঞ্জের বাসিন্দা বলে পলাশ থানা পুলিশ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাগদী এলাকার সড়কের পাশে একটি মাইক্রোবাস থামিয়ে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত এক বৃদ্ধকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন মাইক্রোবাস চালক। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে এলে তারা চালককে হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দেয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেয়।

খবর পেয়ে পলাশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালককে আটক করে এবং মুমূর্ষু বৃদ্ধকে উদ্ধার করে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চালক মনির হোসেন দাবি করেন, ঢাকার গাবতলী এলাকার একটি পাম্পের সামনে ৪/৫ জন লোক ওই বৃদ্ধকে মুমূর্ষু অবস্থায় গাড়িতে তুলে দেয়। তাদের কথায় তিনি বৃদ্ধকে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্দেশ্যে গাড়িতে তুলে নিয়ে আাসেন। তবে পথে পুলিশের ঝামেলার আশঙ্কায় ভীত হয়ে তিনি নরসিংদীর ওই নির্জন স্থানে বৃদ্ধকে ফেলে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, বৃদ্ধকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযুক্ত গাড়ী চালককে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে বলা যাবে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন