অবৈধ অর্থ বা পেশীশক্তি না থাকলে রাজনীতিতে টিকে থাকার একমাত্র উপায় হলো "জনসম্পৃক্ততা ও নৈতিকতা: বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা সিরাজুল ইসলাম সরদার
টিএ পান্না, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, ঈশ্বরদী ( পাবনা )
অবৈধ অর্থ বা পেশীশক্তি না থাকলে রাজনীতিতে টিকে থাকার একমাত্র উপায় হলো "জনসম্পৃক্ততা ও নৈতিকতা"। বুধবার সকালে পাকশীর গোলঘর চত্বরে ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আয়োজিত সাতদিন ব্যাপি বৃক্ষ রোপন কর্মসুচিরেউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপন কর্মসুচির অংশ হিসেবে অোয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক সিনিয়র বিএনপি নেতা আবুর রশিদ সরদারের সভাপতিত্বে বিএনপিনেতা আব্দুস সোবহান,আব্দুল মান্নান সরদার চেয়ারম্যান, আবু তালেব ফকির, হুমায়ুন কবীর দুলাল, ফজলু মাস্টার, শফিউদ্দিন মানিক, আগা খান,বদিউজ্জামান বদি সরদার,রেজাউল করিম দাউদ, সার্জিস আলম সান্টু,রফিকুল ইসলাম কলম,মোহাম্মদ আলী কাজল,কবীর আহমেদ, আমিনুল ইসলাম,আরজ আলী সরদার, আবুল খায়ের হটু মোল্লা,মোন্তাজ আলী,রঞ্জু মেম্বর, জাহিদ হাসান মিঠু, জুয়েল আলী ,মনসুর সরদার,লিটন মোল্লা ও মুশফিকুর রহমান সজল বক্তব্য দেন। পরে সিরাজুল ইসলাম সরদার পাকশী বিএনপি অফিস ও শহিদ মিনার চত্বর, পাকশী গোলঘর চত্বর ও পাকশী রিসোর্ট এলাকায় বৃক্ষ রোপন ও চারা বিতরণের মাধ্যমে সাতদিন ব্যাপি কর্মসুচির উদ্বোধন করেন। প্রধান অতিথি বলেন,আপনারা যদি পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ধরে রেখে উপজেলা ব্যাপী সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়াতে পারেন, তবে একদিন মূল দলও আপনাদের ত্যাগ ও অবস্থানকে স্বীকার করতে বাধ্য হবে। একটি কমিটিকে প্রাণবন্ত ও সফল করতে হলে দলের প্রতিটি সদস্যের মতামত নেওয়া এবং তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ ও উপস্থিত নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন,রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে আপনাদের মতো "পরিচ্ছন্ন" কিন্তু তুলনামূলক "দুর্বল" বা কোণঠাসা হয়ে পড়া অংশটিকে শক্তিশালী করতে এবং নিজেদের প্রকৃত দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কিছু সুনির্দিষ্ট ও কৌশলী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। ''প্রস্তাবিত বিএনপি' বা 'প্রকৃত বিএনপি'র চমৎকার ধারণাটিকে শুধু কাগজে-কলমে না রেখে একটি স্পষ্ট আদর্শিক ভিত্তি দিতে হবে একটি ইশতেহার বা 'ক্লিন ইমেজ ডিক্লারেশন' তৈরি করার মাধ্যমে।
যে ডিক্লারেশনে পরিষ্কার লেখা থাকবে—আপনাদের গ্রুপে অস্ত্র, বালি মহাল, ইটের ভাটা বা অবৈধ টাকার কোনো স্থান নেই। এই সততাকেই দুর্বলতা না বানিয়ে আপনাদের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে কমিটি শক্তিশালী করতে শুধু পরিচিতদের নিয়ে কমিটি না করে প্রতিটা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের সৎ, ত্যাগী এবং নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া প্রবীণ ও তরুণ কর্মীদের খুঁজে বের করে মূল ধারার সমান্তরালে প্রতিটি এলাকায় প্রস্তাবিত কমিটি গঠন করুন, যারা নিয়মিত নানা বিষয় ও রাজনৈতিক আলোচনা নিয়ে বসবে এবং স্থানীয় সমস্যা নিয়ে কথা বলবে।
রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে আপনাদের মতো "পরিষ্কার" কিন্তুতুলনামূলক "দুর্বল" বা কোণঠাসা হয়ে পড়া অংশটিকে শক্তিশালী করতে এবং নিজেদের প্রকৃত দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কিছু সুনির্দিষ্ট ও কৌশলী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। 'প্রস্তাবিত বিএনপি' বা 'প্রকৃত বিএনপি'র ধারণাটি চমৎকার। তবে এটিকে শুধু কাগজে-কলমে না রেখে একটি স্পষ্ট আদর্শিক ভিত্তি দিন। একটি ইশতেহার বা 'ক্লিন

