সহকারী অধ্যাপক পদে শিক্ষা ক্যাডারের ১৮৭০ জনের পদোন্নতি
নিজস্ব প্রতিনিধি
সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন শিক্ষা ক্যাডারের ১৮৭০ প্রভাষক।
পদোন্নতির দাবিতে যখন শিক্ষা ক্যাডারের ৩২ তম থেকে ৩৭ তম ব্যাচের প্রভাষকদের কর্মবিরতি কর্মসূচির মধ্যেই তাদের পদোন্নতি দিল মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।
বৃহস্পতিবার তাদের পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ যা শুক্রবার নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে।
পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে যোগদান করে পূর্ববর্তী পদের (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
পদোন্নতির দাবিতে গত রোববার থেকে সরকারি কলেজগুলোতে 'বিসিএস প্রভাষক পরিষদ'-এর ব্যানারে ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচি পালন করেছিলেন ৩২ থেকে ৩৭ তম ব্যাচের প্রভাষকরা।
আন্দোলনরতদের পক্ষে সদ্য পদোন্নতি পাওয়া ৩৪তম ব্যাচের কর্মকর্তা এস এম আসাদুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কিছু আত্তীকৃত প্রভাষকসহ ৩২, ৩৩, ৩৪ ও ৩৫তম বিসিএসের ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতি হল। শিক্ষা ক্যাডারের ইতিহাসে এটি বড় পদোন্নতি।
“৩২ তম ও ৩৩ তম বিসিএস ব্যাচের চার শতাধিক প্রভাষক চাকরিতে যোগদানের এক যুগ পরও প্রথম পদোন্নতি পাননি। ৩৪তম বিসিএস ১০ বছর, ৩৫ তম বিসিএস ৯ বছর, ৩৬ তম বিসিএস ৮ বছর, ৩৭ তম বিসিএস ৭ বছর পার করলেও পদোন্নতি পাচ্ছিলেন না। এরপর এ পদোন্নতিতে শুধু প্রভাষকরা নয় শিক্ষা ক্যাডারের সবাই খুশি। আমাদের আশা ছিল ৩৭তম ব্যাচ পর্যন্ত সবার পদোন্নতি। তবে সরকার যে ৩২ থেকে ৩৫তমদের দাবি পূরণ করলো সেজন্য সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই।”
'বিসিএস প্রভাষক পরিষদ'-পক্ষ থেকে এ কর্মকর্তা পদোন্নতি কাজে নানাভাবে সহযোগিতার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ, বিসিএস শিক্ষা সমিতির নেতা, আইনকর্মকর্তা, আইনজীবী, গণমাধ্যম কর্মী ও কর্তৃপক্ষকেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

