ডার্ক মোড
Wednesday, 08 July 2026
ePaper   
Logo
তারিকুলের ভয়াল থাবায় থমকে গেছে রেলের চাকা, অসহায় খোদ রেল মন্ত্রণালয় :  সিমর ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল সলিউসনস কানাডার বিরুদ্ধে রেলওয়ের দরপত্র, মালামাল সরবরাহে ব্যাপক দুর্নীতি - জালিয়াতির অভিযোগ

তারিকুলের ভয়াল থাবায় থমকে গেছে রেলের চাকা, অসহায় খোদ রেল মন্ত্রণালয় : সিমর ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল সলিউসনস কানাডার বিরুদ্ধে রেলওয়ের দরপত্র, মালামাল সরবরাহে ব্যাপক দুর্নীতি - জালিয়াতির অভিযোগ

 

বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে কানাডার সিমর ইন্টারন্যাশনাল সলিউশনস লিমিটেড এবং স্থানীয় প্রতিনিধি টি. কে এন্টারপ্রাইজ এর মালিক তারেক খন্দকারের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রম এবং শর্ত লঙ্ঘন লক্ষ্য করার ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানা যায়, সিমর ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশনস লিমিটেড (Simor Industrial Solutions Ltd) ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বলে উল্লেখ করা হলেও, ফেডারেলভাবে Halifax, Nova Scotia, Canada তে সাময়িকভাবে নিবন্ধিত ছিল তবে ২০০৮ সাল হতেই দীর্ঘদিন কোম্পানির কোথাও কোনো আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ছিল না।এমনকি কানাডিয়ান সরকারের কোম্পানি নিবন্ধনকারী সংস্থার রেকর্ড ও নথিতে এই কোম্পানিটি ২০১৬ সাল অবধি সম্পূর্ণ অকার্যকর এবং কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম ছিল না মর্মে প্রমান পাওয়া যায়।

অফিসিয়ালভাবে কোম্পানিটি পুনঃনিবন্ধিত হয় ২০১৬ সালের ২০ জুন, ৫০০ ডাফারিন, টরেন্টো, অন্টারিও, কানাডা ঠিকানায়। এই নিবন্ধনের তথ্য কানাডিয়ান সরকারের কোম্পানি নিবন্ধনকারী সংস্থার ইস্যুকৃত নথিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।

এ সংক্রান্ত কানাডিয়ান সরকারের নিবন্ধনকারী সংস্থার জারীকৃত সরকারী নথি এ প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।

কথিত ওই কোম্পানিটি ২০১৬ সালের ২০ জুন উল্লেখিত টরেন্টোর ঠিকানায় নতুনভাবে নিবন্ধিত হয়, তাই তার আইনি ও ব্যবসায়িক সকল কার্যক্রমের শুরুও হয় সেই তারিখ থেকে। সেক্ষেত্রে সিমর এর এইসব তথ্য গোপন করে বা ঘষামাজা করে, ২০১৬ সালের বাংলাদেশ রেলওয়ের আহবানকৃত বিদেশি যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী এনলিস্টমেন্টের দরপত্র নং P6/DSL/Supplier/Enlistment/2016 - এ অংশ নিয়ে পরবর্তীতে অফিসিয়ালভাবে তালিকাভুক্তি হওয়া নিয়ম লঙ্ঘনের শামিল এবং অবৈধ হিসেবে বাধ্যতামূলক গণ্য হবে কারণ একই বছরে নতুন নিবন্ধিত বিদেশী কোম্পানি স্বশরীরে টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে পারবে না, পূর্ব অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণের অভাবে।

যেহেতু তাদের কোনো পূর্ববর্তী যন্ত্রাংশ সরবরাহের প্রমাণ, আর্থিক সক্ষমতা, ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অভিজ্ঞতার রেকর্ড এবং ২০১৬-তালিকাভুক্তির দরপত্রের নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণের প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথি নেই বা থাকতে পারে না ফলে, ২০১৬ সালের ওই দরপত্র প্রক্রিয়ায় সিমরের তালিকাভুক্তির অনুমোদন এবং এর ভিত্তিতে পরবর্তীতে যেকোনো সরবরাহ চুক্তিই আইনগতভাবে অকার্যকর, অবৈধ এবং চ্যালেঞ্জযোগ্য।

নিবন্ধন নথিতে উল্লেখিত ঠিকানা ছিল - 500 Dufferin, Toronto, Ontario, Canada।  কিন্তু অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ও বাংলাদেশ রেলওয়েতে নিবন্ধিত ঠিকানা হল Unit 30 55 Administration Road, ON, LAK 4G9, Canada।সরেজমিনে দেখা যায়, সিমর এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ও বাংলাদেশ রেলওয়েতে নিবন্ধিত ঠিকানায় কোন অফিস, সাইনবোর্ড বা প্রতিনিধি কোনো কিছুরই বাস্তবে কোনো উপস্থিতি নেই এবং উক্ত ঠিকানায় Greendish.ca নামক Disposable Food Containers এর Wholesale প্রতিষ্ঠান আছে এবং এ সংক্রান্ত ভিডিও প্রমাণও ইংরেজি দৈনিক দা কান্ট্রি টুডে'র কাছে রয়েছে ।বিতর্কিত ওই কোম্পানিটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও সরবরাহ রেকর্ড সম্পর্কে জানা যায়,
উক্ত কোম্পানির নর্থ আমেরিকায় রেল সংক্রান্ত কোনো ব্যবসায়িক বা সরবরাহ রেকর্ড নেই। তাছাড়া, বিশ্বের অন্য কোনো দেশের বা জাতীয় রেলওয়েতে সিমর -এর সরবরাহ রেকর্ড নেই শুধুমাত্র বাংলাদেশ রেলওয়েতে সরবরাহ সংক্রান্ত রেকর্ড পাওয়া যায় ।তাছাড়া, স্থানীয় প্রতিনিধি টি. কে এন্টারপ্রাইজ যার অলিখিত মালিক তারিকুল ইসলাম তারেক খন্দকার। ট্রেড লাইসেন্স নিবন্ধনে তারিকুল ইসলাম তারেক খন্দকারের মা মাতা কল্পনা বেগম মূল মালিক।

মালিকের অন্যান্য বেনামে প্রতিষ্ঠান রয়েছে যার মধ্যে খন্দকার বিল্ডার্স, দা জায়ান্ট এন্টারপ্রাইজ এবং বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড টেকনিক্যাল সার্ভিস অন্যতম।উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স ও নিবন্ধন চট্টগ্রামে রেল কর্মচারীদের বরাদ্দকৃত আবাসিক ঠিকানায় দেখানো হয়েছে যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত।অন্যদিকে, কোম্পানি এবং স্থানীয় এজেন্টের কার্যক্রম পর্যালোচনায় দেখা যায় , তারা নিম্নমানের, পুরাতন ও নষ্ট পণ্য সরবরাহ করছে, যা উচ্চ মূল্যে ক্রয় করা হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ রেলওয়ের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে এবং জনহিতেরক্ষায় গুরুতর প্রভাব পড়ছে।

স্থানীয় এজেন্ট তারেক খন্দকার পরিচালিত একটি বৃহৎ সিন্ডিকেট রেলওয়ের যন্ত্রাংশ ক্রয় প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে এবং অসাধু সিন্ডিকেটের সহযোগীরা রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন চৌধুরী যারা নাম-বেনামে কয়েকটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছে। অভিযোগে আরো জানা যায়, টি. কে এন্টারপ্রাইজের ট্রেড লাইসেন্স নিবন্ধনে তারেক খন্দকারের মাতা কল্পনা বেগম মূল মালিক হলেও ৰান্তৰে তাকে রেল সংশ্লিষ্ট কেউ কোনদিন দেখেনি। এমনকি রেলের সাথে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরেও তিনি কোনদিন উপস্থিত হয়নি, তারপরও প্রতিটি মালামাল সরবরাহের চুক্তিতে তার স্বাক্ষর দেখা যায় এবং এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নামেই এলটিএম পদ্ধত্তিতে অনিয়মের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার মালামাল সরবরাহ করার সর্বোচ্চ সংখ্যক কার্যাদেশ প্রাপ্তি স্বাপেক্ষে বিগত বছরগুলোতে অবাধ দুর্নীতি সংগঠিত হয়েছে। আরো জানা যায়, সাধারণ ঠিকাদাররা এই অসাধু সিন্ডিকেটের প্রভাবে অসহায় হয়ে পড়েছে এবং ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।এর মধ্যে রয়েছে নিয়ম লঙ্ঘন ও দুর্ব্যবহার, সরকারি ক্রয় নিয়মনীতি, পিপিআর বিধামালা ২০২৫ এবং অফিসিয়াল প্রটোকল লংঘন। তারা হুমকি প্রদান , প্রতারণা- জালিয়াতি এবং প্রভাব ফাটিয়ে করে দরপত্র প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম করে যাচ্ছেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় , ৬ জন ঠিকাদার Bangladesh Railway Foreign Diesel Spare Parts Enlistment-28.03.3080.822.09.004.28 এর জন্য নির্ধারিত সময়ের পরে পিপিআর-২০২৫ বিধীমালার শর্ত ভঙ্গ করে জোরপূর্বক দরপত্র জমা দেন। অভিযোগ রয়েছে, তাদের এইসব অপকর্মের কারণে বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক, চট্টগ্রাম এর স্বাভাবিক দাপ্তরিক কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় এনলিস্টমেন্টের দরপত্র ৩০ নভেম্বর উন্মুক্ত হলেও পিঅভিযোগ রয়েছে, তাদের এইসব অপকর্মের কারণে বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক, চট্টগ্রাম এর স্বাভাবিক দাপ্তরিক কার্যক্রম  প্রায়  অচল হয়ে  পড়েছে। এনলিস্টমেন্টের দরপত্র ৩০ নভেম্বর উন্মুক্ত হলেও পিপিআর বিধামালা ২০২৫ সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী ২৪ ঘন্টার মধ্যে Tender Opening Report (TOR/ TOS) চূড়ান্ত করে জমা দিতে হয় কিন্তু ৯ দিন অতিবাহিত হলেও অজ্ঞাত কারণে  Opening Report (TOR/TOS) বা দরপত্র মূল্যায়ন সংক্রান্ত কোনরূপ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। দরপত্র ওপেনিং কার্যক্রম টানা ৯ দিন আটকে রাখে এ তারিকুল সিন্ডিকেট। পরে চাপের মুখে গা বাঁচাতে রেল কর্মকর্তা পিছনের তারিখে সাক্ষর করেন এবং দরপত্র ওপেনিং রিপোর্ট চূড়ান্ত করে বিষয়টি ধামাচাপা দেন। এ ঘটনায় সাধারণ ঠিকাদার ও রেল কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্ট হয়।

উক্ত দরপত্রে সংশ্লিষ্ট রেল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিয়ম পরিপালন করলে এই অসাধু সিন্ডিকেট হুমকি প্রদানের মাধ্যমে পুরো দরপত্র প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

দরপত্রে মোট ৫৪ জন বিদেশি প্রতিষ্ঠান তাদের স্থানীয় প্রতিনিধি মাধ্যমে নিয়মানুযায়ী ও সময়মতো দরপত্র জমা দিয়েছে। কিন্তু তারিকুল ইসলাম তারেক খন্দকার সিন্ডিকেটের চিহ্নিত ৬ জন নিয়মানুযায়ী ও সময়মতো দরপত্র ইচ্ছাকৃতভাবে জমা দেন নাই কিন্তু এখন তারা অবিরত হুমকি ধমকি প্রদান করছে এবং সংশ্লিষ্ট রেল কর্মকর্তাদের উপর অবিরত চাপ সৃষ্টি করে দরপত্র সংক্রান্ত সকল কাজে বাধা প্রদান করছে।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ স্থানীয় সরবরাহকারী ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানসমূহ, অসাধু এই সিন্ডিকেটের হুমকি ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে বলে ব্যাপক অভিযোগ পাওয়া যায়।উল্লেখ্য, রেলের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিপিআর বিধামালা ২০২৫ এর সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী শর্তাবলী ও ক্রয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ম হয়েছে এবং রেল সংক্রান্ত দরপত্র ও ক্রয় প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে কার্যকর করা প্রয়োজন।তারা আরো বলেন, রেলওয়েতে অসাধু সিন্ডিকেটমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা দরকার যাতে সুষ্ঠ প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে সঠিক গুনগত মানের যন্ত্রাংশ ক্রয় ও ন্যায্য মূল্যায়ন সম্ভব হয়।
এতে রেলের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামের মান বজায় থাকবে।অন্যদিকে, সিমর এর নিবন্ধিত ঠিকানায় গিয়ে বাস্তব যাচাইকালে 'Greendish ' নামে ভিন্ন একটি ডিসপোজেবল ফুড কনটেইনার ও কার্টেলারি পাইকারী প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পাওয়া যায় যার প্রমাণাদি এ প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।এদিকে সিমরের কর্ণদার তারেকের নিজ এলাকা টাঙ্গাইলে সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, সে মাদক মামলার আসামি ছিল এবং সে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে এবং এলাকায় সুদে টাকা লাগিয়ে গরিব- অসহায় মানুষদের শোষণ করত এবং সুদের টাকা ফেরত না দিতে পারলে তাদের সম্পত্তি জোর করে দখল নিত।চট্টগ্রামের রেলের একটি সূত্র জানায়, তারিকুল ইসলাম তারেক খন্দকার টাঙ্গাইল জেলার একজন রেল কর্মকর্তার বাসার গৃহকর্মী ছিল। মূলত ঐ কর্মকর্তা নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থ হাসিলের জন্য তারেককে রেলের ঠিকাদারী লাইসেন্স করে দেন। এরপর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। গাজীপুর, উত্তরা ও চট্টগ্রামে রয়েছে তারিকুলের শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ।

সম্প্রতি রেল মন্ত্রনালয়ে উপদেষ্টার সরাসরি নির্দেশে এসব অনিয়ম -অভিযোগের ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়া হয় কিন্তু ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও তারিকুল ক্ষমতার প্রভাবে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি বরং মন্ত্রানালয়ের সেই আদেশটি ধামাচাপা পড়ে আছে।

এসব অভিযোগের ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তারিকুলের ভয়াল থাবায় থমকে গেছে রেলের চাকা, অসহায় খোদ রেল মন্ত্রণালয় :  সিমর ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল সলিউসনস কানাডার বিরুদ্ধে রেলওয়ের দরপত্র, মালামাল সরবরাহে ব্যাপক দুর্নীতি - জালিয়াতির অভিযোগ

তারিকুলের ভয়াল থাবায় থমকে গেছে রেলের চাকা, অসহায় খোদ রেল মন্ত্রণালয় :  সিমর ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল সলিউসনস কানাডার বিরুদ্ধে রেলওয়ের দরপত্র, মালামাল সরবরাহে ব্যাপক দুর্নীতি - জালিয়াতির অভিযোগ

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

আপনি ও পছন্দ করতে পারেন