জাতীয় নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি
নিজ্বস প্রতিনিধি
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোটের তফসিল (১১ ডিসেম্বর) ঘোষণা করা হয়েছে। এসময় আসন্ন নতুন বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তফসিল ঘোষণা করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার তার এই ভাষণ সম্প্রচার করছে।
নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সামগ্রিক প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে অবহিত করেছে। মঙ্গলবার কমিশন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রফাত আহমেদের সঙ্গেও বৈঠক করে ইসি। আর গতকাল দুপুরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বিকেলে ভাষণ রেকর্ড করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে একই দিনে।
বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ৫০টির বেশি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কয়েকটি দল ইতোমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
নির্বাচন ও গণভোট—দুটোরই প্রস্তুতি একসঙ্গে নিয়েছে ইসি। ২৯ নভেম্বর মক ভোটগ্রহণের পর ভোটের সময় বাড়ানো এবং কেন্দ্রে গোপন কক্ষের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।
এবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই ইসির ক্ষমতা আরও বিস্তৃত হবে।
তফসিল ঘোষণার পর থেকেই আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রয়োগ শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারে নামতে পারবেন।
তফসিলে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদানের শেষ সময়, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহারের তারিখ এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন উল্লেখ থাকবে। গণভোটের ক্ষেত্রে শুধু ভোটগ্রহণের তারিখই উল্লেখ করা হবে।

