ডার্ক মোড
Thursday, 13 June 2024
ePaper   
Logo
দোহারে মুক্তিযোদ্ধার নামে লীজ সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

দোহারে মুক্তিযোদ্ধার নামে লীজ সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি

ঢাকার দোহার উপজেলায় লীজকৃত সরকারি সম্পত্তি দখলের চেষ্টা ও প্রাননাশের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহীম খলিল সবুজ(৭৫)। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন ও দোহার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
ইব্রাহীম খলিল সবুজ জানান, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আমার নামে উপজেলার নারিশা মৌজার ২২নং খতিয়ানের আর,এস দাগ-২৫৪/ ২৫৫ এর কাতে ৫১ শতাংশ জমি লীজ বা ইজারা প্রদান করেন দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) কার্যালয়।

পরবর্তীতে গত ১৮ মে শনিবার সকালে লীজকৃত সম্পত্তিতে স্থানীয় লুৎফর রহমান, আব্দুস সালাম ও তার ছেলে নাদিমুল ইসলাম ও তাদের নিকট আত্মীয় আব্দুর রউফের চার ছেলে মোঃ আমিন, হাসান আল মাহমদু(লিটন),আবু সাঈদ ও আবু বক্কররা সংঘবদ্ধ হয়ে সরকারি সাইনবোর্ড ভেঙ্গে কাঠ-বাশেঁর খুটি গেড়ে ঘর তুলার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় তিনি বাধাঁ দেন এবং পুলিশকে জানান। এ সময়ে দখলকারীরা মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহীম খলীল সবুজের উপরে হামলার চেষ্টা করেন। পরে বিষয়টি তিনি লিখিতভাবে দোহার থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানান।

তিনি আরও বলেন, মো.আমিন গংরা দীঘদিন ধরে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি ধামকিসহ আমার পরিবারের উপর জুলুম ও মিথ্যা অপবাদ রটানোর চেষ্টা করে আসছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত কাউকেও তাদের বাড়িতে গিয়ে পাওয়া যায়নি বিধায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নাই।

ঘটনার সত্যতা জানতে সাইনপুকুর তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো.জসীম উদ্দিন জানান, ওসি সাহেবের নির্দেশে ও মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহীম সবুজের হাতে লেখা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সম্পত্তির মালিকানা ও ওয়ারিশ দাবী করে তার সৎ ভাই ও বোনেরা সম্পত্তির অংশিদার চান। তবে দখলের কোন প্রমান পাওয়া যায় নাই। বিষয়টি উর্ধত্বন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.হারুন অর রশিদ জানান, মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহীম খলিল সবুজ একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের ভীত্তিত্বে তদন্ত চলছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মামুন খানের সাথে আলাপ হলে তিনি বলেন,বিষয়টি জানতে পেরে নারিশা-মেঘুলা ভুমি অফিস থেকে তহসিলদার মিজানুর রহমানকে জানানো হয়েছে। তথ্যমতে সরকারি এই সম্পত্তিটি নির্ধারিত সীমানাবেষ্টনি না করায় স্থানীয়দের নজরে পড়ে। আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহীম সাহেবকে সীমানাবেষ্টনি করতে জানিয়েছি।

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন