পার্বত্য চট্টগ্রামে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন ও রাজধানীতে বাজার সম্প্রসারণের ঘোষণা সিএইচটি সচিবের
নিজস্ব প্রতিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলসমূহে উৎপাদিত রাসায়নিকমুক্ত ও সুস্বাদু ফল বিপণন, প্রদর্শনী এবং সংরক্ষণের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, স্থানীয় চাষিদের উৎপাদিত ফল ও ফসল সংরক্ষণে সহায়তার উদ্দেশ্যে তিন পার্বত্য জেলার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কোল্ড স্টোরেজ (হিমাগার) স্থাপন করা হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী 'পার্বত্য ফল মেলা-২০২৬'-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এই সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা এবং রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রেজাউল করিম। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মঙ্গল চন্দ্র পাল।
পার্বত্য অঞ্চলের কৃষকদের উৎপাদিত বিষমুক্ত ফলের সঠিক মূল্য নিশ্চিত করতে এবং পচন রোধে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক হিমাগার নির্মাণ করা হবে।
সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এই আয়োজনকে সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি তিন পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উদ্যোক্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত ও উৎসাহব্যঞ্জক অংশগ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাহাড়ি উদ্যোক্তাদের পক্ষে রাঙামাটির 'জুম ঘর'-এর স্বত্বাধিকারী বিনিতা চাকমা, বান্দরবানের চংরেং ম্রো এবং খাগড়াছড়ির কংকনা চাকমা অনুষ্ঠানে তাঁদের অনুভূতি ও মতামত ব্যক্ত করেন। তাঁরা মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং ফল বিক্রির চমৎকার সুযোগ পাওয়ায় আয়োজকদের প্রতি গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী এই ফল প্রদর্শনীটি গত ২৭ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। মেলাটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল। দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা মেলার ৩০টি স্টলে পাহাড়ের তাজা, সতেজ ও সম্পূর্ণ অর্গানিক মৌসুমী ফলের এক অনবদ্য সমাহার প্রদর্শন ও বিক্রি করেন।
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

