এলজিইডি-ক্রিলিকের নলেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (কেএমএস) উন্নয়ন , রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক ইনসেপশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত
নিজ্বস প্রতিনিধি
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার মেইনস্ট্রিমিং প্রজেক্ট (ক্রিম্প) এর আওতাধীন ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট লোকাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার সেন্টার (ক্রিলিক) আয়োজিত নলেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (কেএমএস) উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক ইনসেপশন কর্মশালা রবিবার এলজিইডি সদর দপ্তরের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও ক্রিলিক এর পরিচালক মোঃ আজহারুল ইসলাম। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন। এসময় তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সঠিক তথ্য ও উপাত্তের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ক্রিলিকের এই নলেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমটি এলজিইডির প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে প্রকৌশলী ও গবেষকগণ অতি দ্রুত কারিগরি জ্ঞান আদান-প্রদান করতে পারবেন, যা ভবিষ্যতে টেকসই ও জলবায়ুসহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কর্মশালায় অ্যাসাইনমেন্টের জন্য নিযুক্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাডি সফট লিঃ এর সফটওয়ার ডেভেলপার মোঃ শাহনেওয়াজ রাসেল, এজিএম মোঃ শরিফুল ইসলাম, প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃ নিয়ামত উল্লাহ নলেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (কেএমএস) এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। ইনসেপশন কর্মশালায় উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের মূল্যবান মতামত গ্রহণের মাধ্যমে এই সিস্টেমটিকে আরও কার্যকর ও টেকসই হিসেবে গড়ে তোলা এই আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য ছিলো।
কর্মশালায় এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দা আসমা খাতুন, কাজী সাইফুল কবীর, মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ আখতার হোসেন, মোঃ গোলাম ইয়াজদানী ও বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, নির্বাহী প্রকৌশলী, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী এবং ক্রিম্প-ক্রিলিকের প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল খালেক, ক্রিলিকের সিনিয়র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ লতিফ হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী ফাতেমা ইসমত আরা, সহকারী প্রকৌশলী অর্পণ পাল ও ক্রিলিকের বিশেষজ্ঞ পরামর্শকগণ উপস্থিত ছিলেন।
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

