ডার্ক মোড
Saturday, 04 July 2026
ePaper   
Logo
সরকারের মহৎ উদ্যোগ খাল খনন কর্মসূচি : যুগ্ম সচিব রাসেল সাবরিন

সরকারের মহৎ উদ্যোগ খাল খনন কর্মসূচি : যুগ্ম সচিব রাসেল সাবরিন

মো. নাঈম হাসান ঈমন, রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

সরকারের অন্যতম মহৎ উদ্যোগ হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি, যার মাধ্যমে দেশের কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং মৃতপ্রায় খালগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে কৃষি বিপ্লব ঘটানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (ত্রাণ) যুগ্ম সচিব রাসেল সাবরিন।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত চার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে তিনি উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের ভাতকাঠী থেকে আধাখোলা এলাকা এবং রাজাপুর সদর ইউনিয়নের ছোট কৈবর্তখালীর ফকির হাট এলাকা থেকে বড় কৈবর্তখালী পর্যন্ত খাল পুনঃখনন প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি খনন কার্যক্রমের অগ্রগতি, কাজের গুণগত মান এবং প্রকল্পের সম্ভাব্য উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় চার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজে ব্যয় হয়েছে এক কোটি তিন লাখ টাকারও বেশি।

যুগ্ম সচিব রাসেল সাবরিন বলেন, “সরকার চায় দেশের শুকিয়ে যাওয়া ও মৃতপ্রায় খালগুলোকে পুনরায় সচল করতে। এর ফলে কৃষকরা সেচের জন্য পর্যাপ্ত পানি পাবেন এবং কৃষি উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। খাল খনন কর্মসূচি দেশের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রকল্পের আওতায় খালের দুই পাড়ে গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনগণকে নিজেদের সম্পদ মনে করে এসব গাছের পরিচর্যায় এগিয়ে আসতে হবে। যাদের জমির পাশে গাছ লাগানো হবে, তারাই এর সুফল ভোগ করবেন। সরকার ইতোমধ্যে ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে।”

বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার প্রকল্প পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ঝালকাঠি জেলার প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেছি। কোথাও কোথাও গাছ লাগানোর কাজ এখনও শুরু হয়নি, তবে সামগ্রিকভাবে কাজের মান সন্তোষজনক। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম রেজা সজীব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শফিউল বশার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির মোল্লা, বড়ইয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোসা. মাকসুদা আক্তার, রাজাপুর সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আল আমিন, ইউপি সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. বাদশা বেপারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

‎মো. নাঈম হাসান ঈমন

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

আপনি ও পছন্দ করতে পারেন