ডার্ক মোড
Wednesday, 08 July 2026
ePaper   
Logo
ঝিনাইগাতীতে আর্থিক সংকটে বিধ্বস্ত গৃহ সংস্কারের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে বিধবা নারী

ঝিনাইগাতীতে আর্থিক সংকটে বিধ্বস্ত গৃহ সংস্কারের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে বিধবা নারী

শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আর্থিক সংকটে বিধ্বস্ত গৃহ সংস্কারের অভাবে চরমভাবে মানবের জীবন যাপন করছেন আকলিমা বেগম (৬৫) নামে এক বিধবা নারীর। আকলিমা বেগম ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ছামাদের স্ত্রী। সহায় সম্বল হীন আকলিমা বেগম নানা রোগে আক্রান্ত। পরিবারে আয়ের উৎসের কেউ নেই। দুই ছেলে বিয়েসাদী করে করছে আলাদা সংসার। তাদেরই দিন চলে অতিকষ্টে। আকলিমা বেগমের এক মেয়ে বিধবা নারী আজমিনা বেগম। আজমিনা বেগমের পিতা আব্দুস ছামাদ ছিলেন একজন দিনমজুর। দিনমজুরি করে চলতো তাদের সংসার । কিন্তু গত প্রায় ৮ বছর পুর্বে আব্দুস ছামাদের মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর থেকে আজমিনা অন্যের বাড়িতে দিনমজুরি করে চালাচ্ছেন তাদের সংসার। আজমিনা জানান একদিন কাজ না পেলে সেদিন মা মেয়েসহ দুই সদস্যের পরিবারের থাকতে হয় অনাহারে অর্ধাহারে। এরপরেও আবার অসুস্থ মায়ের জন্য নিয়মিত ওষুধপত্র কিনতে হয় আজমিনাকে। জানা গেছে, বন বিভাগের একটুকরো জমির ওপর মানদাতা আমলের একটি মাটির একটি দেয়াল ঘর নির্মান করে বসবাস করে আসছেন পরিবারটি। কিন্তু গত ২ বছর পুর্বে মাটির দেয়াল ঘরটি বিধ্বস্ত হয়ে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে ঘরটি আর সংস্কার করতে পারেননি পরিবারটি। চলের টিনগুলো দুমড়েমুচড়ে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পাড়েছে।
জানা গেছে, সামান্য বৃষ্টি হলে চোখের ঘুম হারাম হয়ে পড়ে। টাকা পয়সার অভাবে ঘরটি সংস্থার করা সম্ভব হয়ে উঠছে না। ফলে মা আকলিমা ও মেয়ে আজমিনা বেগম অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছে। না পারছে কাউকে বলতে না পারছে সইতে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে ঘর সংস্কারের জন্য ঘুরেও কোন কাজ হয়নি। আজমিনা বেগম প্রশাসনসহ দেশের দানশীল ও বৃত্তবানদের কাছে আর্থিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো, আল আমিনের সাথে কথা হলে বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান।

 

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

আপনি ও পছন্দ করতে পারেন