
গোয়াইনঘাটে সাংবাদিকদের উপর হামলার মামলায়;জামিনে থাকা আসামী’কর্তৃক বাদীর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি
গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি,
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং ব্রীজের উত্তর পাশে গত ১৭ মার্চ ২০২৫ইং রাত ১১টায় তিন সাংবাদিক ও তাদের সহযোগী সহ পাচ জনের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১৮ মার্চ ২০২৫ইং চার জনের নাম উল্লেখসহ আরো ১৫/২০ জনকে অঞ্জাতনামা আসামী করে মামলাটি করেন আহত সাংবাদিক মো.দুলাল হোসেন রাজু’র ভাই মো.আকবর হোসেন। গোয়াইনঘাট থানার মামলা নং ২৭, জিআর ৮২/২৫ মামলা দায়ের’র পরই আসামীরা পালিয়ে আতœগোপনে চলে যায়।এদিকে আলোচিত এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার তৎপর হয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে গোয়াইনঘাট থানার পুলিশ। অবশেষে গত ২৩ মার্চ ২০২৫ইং তথ্যপ্রযুক্তির সহয়তায়,সিলেট র্যাব-৯ ও ঢাকা র্যাব-১০ এর যৌথ অভিযানে ঢাকার বংশাল থানাধীন চানখারপুল এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামী নিরক্ষর সাংবাদিক মো.হুমায়ুন আহমদকে গ্রেফতার করে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল। গত ২৪ মার্চ ২০২৫ইং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা,গোয়াইনঘাট থানার এস আই,ওবায়দুল্লাহ গ্রেফতারকৃত আসামী হুমায়ুন আহমদকে আদালতে প্রেরণ করেন,আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন। সম্প্রতি সময়ে মামলার প্রধান আসামী নিরক্ষর সাংবাদিক হুমায়ুন জামিনে এসে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে,তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন ভাবে বাদী এবং বাদীর পরিবারের লোকজনকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে।বাদীর ভাই মো.দুলাল হোসেন রাজু’র মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিবে বলে বিভিন্ন লোকজনের কাছে বলাবলি করছে ,ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি সাধনের জন্য ব্যবসা প্রতিষ্টানের আশে-পাশে সন্দেহ জনক ভাবে ঘোরাঘোরি ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন,নিরক্ষর সাংবাদিক হুমায়ুন যে কোন সময় বাদী এবং বাদীর পরিবারের জানমালের ক্ষতি সাধন করতে পারে। আসামী’র হুমকিতে বাদী ও তার পরিবারের লোকজন জীবনের চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।এঘটনায় গত ৩০মার্চ ২০২৫ইং বাদীর ভাই মো.দুলাল হোসেন রাজু ,জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। গোয়াইনঘাট থানার সাধারণ ডায়রী নং-১৩৬৩। উল্লেখ্য জুলাই ছাত্র জনতার আন্দোলনে ছাত্রদের উপর হামলাকারী ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক সানোয়ার হোসেন ও পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতির ভাগিনা পরিচয়ধারী নিরক্ষর, সাংবাদিক হুমায়ুন এখনও রয়েছে গেছে বহাল তবিয়তে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ছাত্র-জনতার উপর হামলাকারী সানোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর নিজেকে সাংবাদিক দাবি করছেন।,এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে বিগত সময়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ’র ভাগিনা পরিচয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে চোরাচালান,মাদক ব্যবসা,চাদাবাজি,নারী নির্যাতন ,শিশু অপহরণ ডাকাতীসহ সবই ছিল এই নিরক্ষর সাংবাদিক’র নিয়ন্ত্রণে।স্থানীয় এলাকার একাধিক লোকজন বলেন,চতুর হুমায়ুন নিরক্ষর হলেও তৎকালীন স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী ও ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রপতি’র ছত্রছায় নিরক্ষর হলেও সাংবাদিকতার এই পেশায়,নিয়োগ পায়। প্রাথমিকের গুন্ডি না পেরিয়েই একজন নিরক্ষর ব্যাক্তি কিভাবে সাংবাদিক হয়? ইতুপূর্বে সে সাংবাদিকতার অন্তরালে, ইয়াবা চোরাচালান মামলা,জিআর১৬২/২০১৫, বন বিভাগের গাছ চুরির মামলা,জিআর-১৫৩/১৩,সন্ত্রাসী হামলা লুটপাট-ডাকাতী মামলা,১নং জজ আদালত মামলা-৭/১৬ শিশু অপহরণ ২নং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৩১৮/১৫ মামলা মাদক,চাদাবাজি,নারী ও শিশু নির্যাতন,চুরি-ডাকাতী ও শিশু অপহরণসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক মামলার আসামী ছিল। একাধিক বার মাদকসহ আইন শৃঙ্গখুলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতারও হয়েছেন। থানা পুলিশের পিসিপিআর তথ্যমতে এই নিরক্ষর সাংবাদিক’র বিরুদ্ধে চলমান ৬ টি মামলা জিআর মামলা রয়েছে । বিগত সময়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ’র ছত্রছায়ায় অধিকাংশ মামলা থেকে পার পেয়ে যায়। নিজের অপকর্ম টিকিয়ে রাখতে ছেলে ছাত্রলীগ নেতা সানোয়ার হোসেনকে সাংবাদিকতায় পূর্নভাষণ করছে এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। স্বৈরাচার মুক্ত দেশ গঠনের ছাত্র-জনতার অঙ্গীকার নৎসাত করতে এখনোও বহাল তবিয়তে আছেন নিরক্ষর সাংবাদিক হুমায়ুন ও ছাত্রলীগ নেতা সানোয়ার হোসেন। ৫ আগষ্টের পরও এই নিরক্ষর সাংবাদিকের কি এমন ক্ষমতা আছে? পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ’র ভাগিনা বলেই কি? এখনোও রয়ে গেছে সেই অদৃশ্য শক্তি? সাংবাদিকতার মুখোশে সন্ত্রাসী,চাদাবাজি সহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ড তার মূল পেশা।
