Dark Mode
Monday, 22 June 2026
ePaper   
Logo
১১ দফা দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি নৌযান শ্রমিকদের

১১ দফা দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি নৌযান শ্রমিকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন। দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো শাহ আলম, কোষাধ্যক্ষ হাবিবুল্লা বাহার ও নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের সভাপতি আজিজুল হক।

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আশিকুল আলম বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নৌপরিবহন শিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রটোকল রুটসহ বহির্বিশ্বের সাথে আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন অনেকাংশেই নৌপরিবহনের ওপর নির্ভরশীল হওয়া সত্ত্বেও নৌযান শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও নিরাপত্তার বিষয়টি সব সময় উপেক্ষিত থেকেছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে দাবি মেনে নিয়ে কিছু কিছু কার্যকর করলেও অধিকাংশ সিদ্ধান্তই অকার্যকর অবস্থায় উপেক্ষিত থেকে যায় বছরের পর বছর।

তিনি বলেন, নৌযান শ্রমিকদের দুর্ঘটনা ও কর্মস্থলে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ টাকার যৌক্তিক দাবির বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত রয়েছে। মালিকদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং এক শ্রেণির অতি মুনাফালোভী অসৎ ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যে পণ্য পরিবহনের শৃঙ্খলা ভেঙে যাওয়ায় এ শিল্প আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে।

পণ্যপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ইতোপূর্বে আমরা গত ২ ও ২৫ জানুয়ারি নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বরাবর দুইটি চিঠি পাঠাই। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় নৌপরিবহন অধিদপ্তর পণ্য পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে যৌক্তিক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও স্বার্থান্বেষী মহলের চক্রান্তে সেটি থমকে গেছে। অতিদ্রুত পণ্যপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হলে আসন্ন ঈদে বেতন-বোনাস না পাওয়াসহ চাকরি রক্ষার বিষয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছে নৌ শ্রমিকরা।

বক্তব্যে আরও বলা হয়, এসব সমস্যার সমাধানে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ১১ দফা দাবি নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর নিকট উপস্থাপন করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত তার কোনো অগ্রগতি হয়নি। আগামী ৩০ মে আমাদের দাবি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আহ্বান করা হয়েছে। এরপরেও দাবি বাস্তবায়িত না হলে আমরা কর্মবিরতির কর্মসূচি শুরু করতে বাধ্য হবো।

Comment / Reply From

You May Also Like

Vote / Poll

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

View Results
হ্যাঁ
0%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%

Archive

Please select a date!