সোমালিয়ান স্বাধীনতা দিবস পালন করলো প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিজস্ব কৃষ্টি-সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতন রাখতে সোমালিয়ান স্বাধীনতা দিবস পালন করলো প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি। শনিবার (০৩ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মেসবাহ কামালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব নজরুল ইসলাম। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সোমালিয়ান শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, "আমার জানামতে বাংলাদেশে প্রথমবারের এমন একটি আয়োজন করা হয়েছে। আর তা প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির হাত ধরে। আমাদের নব নিযুক্ত উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রথিত যশা ইতিহাসবিদ প্রফেসর ড. মেসবাহ কামালের নেতৃত্বে প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি অনেক দূর এগিয়ে যাবে। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা দ্রুত কোভিড-১৯ কালীন সংকট উত্তোলন করতে পারবো। এক্ষেত্রে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহোযোগিতা করা হবে।"
সভাপতির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মেসবাহ কামাল বলেন, "বাংলাদেশ ও সোমালিয়া দুটো দেশই উপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। এই দিকটায় দুটো দেশের মিল রয়েছে। তবে সোমালিয়া ব্রিটিশ ও ইতালিয়ান কলোনির অধীনে ছিল। তারা আলাদা দিনে স্বাধীনতা অর্জন করে এবং আলাদা দিনে স্বাধীনতা দিবস পালন করে। তবে তারা জাতি হিসেবে এক। তাই প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি একটি স্বতন্ত্র দিনে সোমালিয়ান স্বাধীনতা দিবস পালনের পদক্ষেপ নেয়।" উপাচার্য আরো বলেন, " তারা অনেক দূর থেকে আসলেও আমরা চাই তারাএ খানেও তাদের সংস্কৃতি চর্চা করুক। কারণ নিজস্ব সংস্কৃতি তাদের নিজস্ব সত্তা তৈরিতে সহায়তা করবে। তাই এটি আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াস।"
দূর প্রবাসে থেকে নিজেদের স্বাধীনতা দিবস আয়োজনে যুক্ত হতে পেরে খুশি সোমালিয়ান শতাধিক শিক্ষার্থী। এমন আয়োজন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকের নিকট ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সোমালিয়ার শিক্ষার্থীরা।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সোমালিয়ার শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব রায়হান আজাদ, সদস্য জনাব নূরুল ইসলাম মোল্লা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. ইফফাত জাহান। অনুষ্ঠান আয়োজকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রধান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের প্রধান, সহযোগী অধ্যাপক ড. নাসরীন আক্তার।
পরে সোমালিয়া ও বাংলাদেশের শিল্পীদের আয়োজনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিতহয়।
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

