সোনাইমুড়ীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার নিয়োগে অনিয়মের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সহকারী আব্দুল করিম ও উপজেলা খাদ্যবান্ধব কমিটির সভাপতি নাসরিন আক্তারের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীগন। মোটা অংকের টাকার বিনিময় নীতিমালা ভঙ্গ করে তার পছন্দের লোকদের ডিলার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
এ বিষয় বঞ্চিত একাধিক ব্যক্তি সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা দাবি করেন, সোনাইমুড়ী উপজেলায় খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করা হয়েছে দীর্ঘ পরিকল্পনার মাধ্যমে ডিলার আবেদনের পূর্ব শর্ত ছিল ফুডগ্রীন লাইসেন্স থাকা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের অসাধু কর্মকর্তারা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ফুডগ্রীন লাইসেন্স প্রদান করেছে। প্রকৃত আবেদনকারী ব্যবসায়ীদের অদৃশ্য কারণে লাইসেন্স প্রদান করা হয়নি।
সোনাইমুড়ী কলেজ গেট এলাকার মুদি ব্যবসায়ী নুর ভ্যারাইটি স্টোরের স্বত্বাধিকারী নুরুন নবী দাবী বলেন, আমি যথাযথ নিয়মে আবেদন করেছি। অফিস সহকারী আবদুল করিম আমার কাছে ঘুষ দাবী করেছে। সে দাবীকৃত অর্থ না দেওয়ায় আমাকে আমাকে ফুডগ্রীন লাইসেন্স দেওয়া হয়নি।
দেওটি ইউনিয়নের নান্দিয়াপাড়া বাজারের রেজাউল হোক এন্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী বলেন, আমি সকল কাগজপত্র সঠিকভাবে উপস্থাপনের পর আমাকে লাইসেন্স না দিয়ে টাকার বিনিময়ে একজন হার্ডওয়ার ব্যবসায়ীকে ফুডগ্রিইন লাইসেন্স দেওয়া হয়।
আমিশাপাড়া বাজার ব্যবসায়ীর সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আলম ভুট্টো বলেন, উপজেলা ৯টি স্পটে অনিয়মের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ফুডগ্রেইন লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে, ডিলার নিয়োগ নিয়ে এলাকায় বৈষম্য ছাত্র আন্দোলন এবং অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওঠার পর দুই লাখ টাকার বিনিময় ডিলার নিয়োগ হয়েছে আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তারের সাথে দেখা করেছি উনি আমাদের কোন কথায় কোন পরোয়া না করে নিয়োগ যেভাবে হয়েছে এভাবেই চলবে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও উপজেলা খাদ্য বান্ধব কমিটির সভাপতি নাসরিন আক্তারের অপসারণের দাবি করেন। না হলে আগামী রবিবার আমরা মানববন্ধন ও কর্মসূচি ঘোষণা করবো।
এ সময় বক্তারা সোনাইমুড়ী উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কার্যালয়ের অফিস সহকারী আবদুল করিম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আকতারের অপসারণ দাবী করেন। প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক উপজেলা প্রেসক্লাব সেক্রেটারীসহ বিপুল সংখ্যক প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

