শেরপুরে বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে অতিরিক্ত মূল্যে বালু বিক্রির অভিযোগ
শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুরে বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে দাম বৃদ্ধি করে অতিরিক্ত মূল্যে বালু বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ফলে দেশে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহতের আশস্কা দেখা দিয়েছে। বালুর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডগুলোতে অনেক কাজ বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানান নির্বাণ প্রতিষ্ঠানগুলো।
তারা জরুরী ভিত্তিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বালুর মূল্য নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, প্রতিবছরের মতো এবারও জেলার সীমান্ত নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই, চেল্লাখালি ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীর বালু মহালগুলো সরকারিভাবে ইজারা দেয়া হয়।
জানা গেছে, বালু মহালগুলোর ইজারার মুল্য বৃদ্ধি করা হয়নি সরকারিভাবে। অথচ বালু মহালের ইজারাদার ও ড্রেজার মেশিন মালিকরা সিন্ডিকেট গড়ে তুলে অতিরিক্ত মূল্যে বালু বিক্রি করে আসছে।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের লোক জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে ২০২৩ সালে প্রতিট্রাক বলু বিক্রি করা হয়েছে ১২ হাজার টাকায়। প্রতিট্রাক বালু থেকে ইজারাদার রাজস্ব আদায় করেছেন ২৫০০টাকা।
অভিযোগ রয়েছে এ বছর বালু মহালের ইজারাদার ও ড্রেজার মেশিন মালিকরা সিন্ডিকেট গড়ে তুলে মূল্য বৃদ্ধি করে প্রতিট্রাক বালু বিক্রি করে আসছেন ৩৫/ ৪০ হাজার টাকায়।
বালু মহালের ইজারাদার প্রতিট্রাক থেকে রাজস্ব আদায় করে আসছেন ১০ হাজার টাকায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, নেত্রকোনার দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী নদীর বালু দিয়ে সারাদেশর উন্নয়নমুলক কর্মকাণ্ডের চাহিদা পুরন করা হতো। কিন্তু ইজারাদারদের মধ্যে দন্দে আদালতে মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। একারণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে চালু রাখতে বালুর চাহিদা বেরে যায়।
এ সুবাদে শেরপুরের সীমান্তের বালু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ১২ হাজার টাকার বালু বিক্রি করে আসছেন ৪০ হাজার টাকায়।
বালুর মূল্য আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পায় জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ নেই বললেই চলে। এ অভিযোগ বিভিন্ন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের।
অভিযোগ রয়েছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বেকায়দায় ফেলার উদ্দেশ্যেই বালু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট গঠন করে বালুর মূল্য বৃদ্ধি করেছেন। জরুরী ভিত্তিতে সিন্ডিকেট ভেঙ্গে বালুর বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নির্মাণ ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো।
সোমেশ্বরী নদীর বালু মহাল ইজারাদার সামীম আহমেদ বলেন আমরা কোন সিন্ডিকেট করিনি। চাহিদার তুলনায় বালু উত্তোলন কম। উত্তোলন খরচ বেরে যাওয়ার কারনে অতিরিক্ত মূল্যে বালু বিক্রি করতে হচ্ছে। একই কথা বলেছেন অন্যান্য বালু ব্যবসায়ীরা ও। শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহবুবুর রহমান বলেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

