ভিন্নধর্মী চা ও গুণগতমান সম্পূর্ণ চা উৎপাদনে বিশেষ নজর দিচ্ছে
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম এনডিসি বলেছেন, স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ থেকে বেশির ভাগ চা বিদেশে রপ্তানি হতো। পরবর্তীতে দেশে চায়ের চাহিদা বেড়ে গেলে চা বিদেশে রপ্তানি কিছুটা কমে যায়। বর্তমানে দেশের চাহিদার চেয়ে বেশি চা উৎপাদন হওয়ায় বিদেশেও রপ্তানি করার সুযোগ রয়েছে। একই সাথে বাংলাদেশে চা বোর্ড ভিন্নধর্মী চা উৎপাদন ও গুণগতমান সম্পূর্ণ চা উৎপাদনে বিশেষ নজর দিচ্ছে। গুণগত মান সম্পূর্ণ চা উৎপাদন হলে একদিকে বিদেশে রপ্তানি হবে এবং শ্রমিকরা ও তাদের প্রাপ্য মজুরি পাওয়া নিশ্চিত হবে।
শনিবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিটিআরআই পিডিইউ অডিটোরিয়ামে গুনগতমান সম্পন্ন চা তৈরি ও কাংখিত মূল্য প্রাপ্তির জন্য বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট ( বিটিআরআই) এ প্রিন্সিপাল এন্ড প্রসেস অব কোয়ালিটি টি ম্যানুফেকচারিং বিষয়ক সপ্তাহ ব্যাপি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, দেশের চায়ের চাহিদা ও উৎপাদন দুটি বেড়েছে। গত বছর দেশে চাহিদার ছিল ৯৫ মিলিয়ন কেজি, সেখানে উৎপাদান হয়েছে ১শ ৩ মিলিয়নকে চা। এর জন্য তিনি সকল প্ল্যান্টর্স ও চা সেক্টরের সকলকে তিনি অভিনন্দন জানাই।
তাই এবার স্বপ্ন দেখছেন, দেশের চাহিদা মিটিয়ে প্রচুর পরিমানে চা বিদেশে রপ্তানি করবেন। এর জন্য এবার চা দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ''চা দিবসের সংকল্প, রপ্তানি মুখি চা শিল্প ''। চা বিদেশে রপ্তানি করতে হলে গুণগত মান সম্পন্ন চা উৎপাদন করতে হবে। তার জন্য তার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এবং চা শিল্পে জড়িত সকলকে বিভিন্ন প্রশিক্ষন ও ট্রেনিং এর আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। এবং চা একটি প্রকৃত শিল্প হিসাবে এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চা বোর্ডের সদস্য (অর্থ ও বাণিজ্য) মো.নুরুল্লা নূরী, বিটিআরআই পরিচালক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন,পিডিইউ পরিচালক ড.মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও দেশের বৃহত্তম চা কোম্পানি ফিলনে টি কোম্পানির সিইও তাহসিন আহমেদ চৌধুরী। এছাড়া দেশের ১৫৬ টি চা বাগানের প্রতিনিধি,চা বোকার্স এসোসিয়োশন এর লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া এসময় বিটিআরআই এ কেন্দ্রীয়ভাবে ওপেন ডে টি টেস্টটিং সেশনেরও উদ্বোধন হয়।
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

