এক সপ্তাহের জন্য ব্যাংককে গণপরিবহন ভাড়া ফ্রি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
শনিবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য বিনা ভাড়ায় বাস ও মেট্রোরেল পরিষেবা পাবেন থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বাসিন্দারা। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা এ সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।
শুক্রবার নিজ কার্যালয় এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়ে দেশটির উপ প্রধানমন্ত্রী সুরিয়া জুয়াংরুংরুয়াংকিত বলেন, ব্যাংককের গণপরিবহন পরিষেবায় সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে এ নির্দেশনা জানিয়ে চিঠি প্রদান করা হয়েছে এবং যথাযথ আর্থিক ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।
মূলত বাড়তে থাকা বায়ুদূষণ রোধ এবং জনগণকে ব্যক্তিগত পেট্রোলচালিত যানবাহনের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহিত করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেছেন উপ প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, থাইল্যান্ডের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান খাত পর্যটন। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এ দেশটিতে বছরজুড়ে ভিড় থাকে বিদেশি পর্যটকদের। সবচেয়ে বেশি পর্যটকের সমাগম হয় রাজধানী ব্যাংককে। তার ওপর সামনেই আসছে চীনা চান্দ্র নববর্ষ। প্রতি বছর এ সময় পর্যটকদের জোয়ার আসে ব্যাংককে।
এদিকে চলতি শীতের শুরু থেকেই ব্যাংককে বায়ুদূষণ বাড়ছে। বর্তমানে তা এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে অধিকাংশ স্কুল বন্ধ ঘোষণার পাশাপাশি জরুরি পরিষেবা ব্যাতীত অন্যান্য চাকরিজীবীদেরও বাড়িতে থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে রাজধানী প্রশাসন।
বায়ুদূষণের একটি বড় কারণ পেট্রোল ও ডিজেলচালিত যানবাহনের ব্যবহারবৃদ্ধি। ব্যাংককে জ্বালানি তেলচালিত যানবাহনের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে এবং সরকার এ ব্যাপারটিই নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে।
ব্রিফিংয়ে সুরিয়া জুয়াংরুংরুয়াংকিত বলেন, “ব্যাংককের বায়ুদূষণ সম্প্রতি ব্যাপক উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে এবং এর একটি বড় কারণ রাজধানীতে প্রতিদিনই বাড়ছে জ্বালানি তেলচালিত ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার। যদি এটি নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তাহলে বায়ুদূষণ ২০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।”
“এ কারণেই জনগণকে বৈদ্যুতিক গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহিত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদি সবাই সহযোগিতা করেন, তাহলে এই অফারের মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে।”
সূত্র : ব্লুমবার্গ, গালফ নিউজ
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

