Dark Mode
Friday, 19 June 2026
ePaper   
Logo
অবশেষে হামলার রাতে কারিনার ভূমিকা নিয়ে মুখ খুললেন সাইফ

অবশেষে হামলার রাতে কারিনার ভূমিকা নিয়ে মুখ খুললেন সাইফ

বিনোদন ডেস্ক

গত ১৬ই জানুয়ারি সাইফ আলি খানের বান্দ্রার বাড়িতে আচমাই হানা দেয় এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি। অভিনেতার সন্তান জেহর ন্যানির চিৎকারে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন নবাব পুত্র।

আততায়ীর সঙ্গে হাতাহাতির ফলস্বরূপ নবাব পুত্র ছুরির আঘাতে জখম হন। এর পরপরই সাইফকে লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে অপারেশন করেন চিকিৎসকরা। গোটা এক সপ্তাহ পরে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তিনি।

সাইফ আলি খানের বাড়িতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অনেকে যেমন দুঃখ প্রকাশ করেছেন তেমন অনেকে অভিনেতার স্ত্রী কারিনা কাপুর খানেকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। অনেকের মতে, নিশ্চয়ই কারিনা সেদিন মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। বাড়িতে এত কিছু ঘটল, কিন্তু তিনি কোথায় ছিলেন? তিনি কি আদৌ বাড়িতে ছিলেন?

বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকে চুপ থাকলেও অবশেষে মুখ খুলেছেন সাইফ। কারিনা সম্পর্কে অভিনেতা বলেন, সেদিন কারিনা ডিনার করার জন্য বাইরে গিয়েছিল। আমার পরদিন সকালে কিছু কাজ ছিল বলে আমি বাড়িতেই ছিলাম। আমি যাইনি। ও ফিরে আসার পর আমরা কিছুক্ষণ গল্প করি এবং শুয়ে পড়ি। শুয়ে পড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা চিৎকার শুনতে পাই, কেউ একজন জেহর ঘরে ঢুকেছে ছুরি হাতে। টাকা চাইছে।

সাইফ বলেন, চিৎকার শুনেই আমি ঘর থেকে বেরিয়ে আসি এবং লোকটিকে ঘর থেকে বের করার চেষ্টা করি। ধস্তাধস্তি হওয়ায় আমার পিঠে, কব্জিতে এবং ঘাড়ে আঘাত লাগে। আমি যখন হাতাহাতি করছিলাম তখন কারিনা জেহকে নিয়ে তৈমুরের ঘরে চলে যায়।

সাইফ আরও বলেন, কারিনা শুধু আমাকে নয়, বাচ্চা দুটোকেও সঙ্গে করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। ও ভয় পাচ্ছিল, যদি ওই লোকটা বা লোকটার অন্য কোনও সঙ্গী বাড়িতে থাকে তাহলে বাচ্চাগুলোর ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা কোনওরকমে সিঁড়ি দিয়েই নিচে নামছিলাম। কারিনা ক্যাব, রিক্সা, অটোর জন্য চিৎকার করছিল। আমার পিঠে তখন অসহ্য যন্ত্রণা করছিল।

নবাবপুত্র বলেন, বেবো বাচ্চাদুটোকে দিদির বাড়িতে রেখে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইছিল। বারবার পাগলের মতো সবাইকে ও ফোন করছিল, কিন্তু কেউ একবারও ফোন ধরেনি। আমি তখন বললাম, আমি ঠিক আছি। আমি মরবো না। সবশেষে একটা অটো ধরে আমরা চারজনেই হাসপাতাল পৌঁছে যাই।

প্রসঙ্গত, অভিনেতার উপর যে হামলা করেছিল সেই ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম শেহজাদ। দীর্ঘদিন বিজয় দাস নামের ভুয়া পরিচয় নিয়ে ভারতে থাকছিল ওই ব্যক্তি। আপাতত পুলিশের হেফাজতে রয়েছে বিজয় ওরফে শরিফুল।

Comment / Reply From

Vote / Poll

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

View Results
হ্যাঁ
0%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%

Archive

Please select a date!