‘বিশ্বকাপে জার্মানি খেলুক জার্মানির মতো’, চাওয়া নাগেলসমানের
স্পোর্টস ডেস্ক
ফুটবল মাঠে সংগ্রাম, লড়াইয়ের সহজাত মানসিকতা জার্মানির পুরান। সেখানে নতুনত্বের জন্যও দুয়ার উন্মুক্ত রাখতে চান ইউলিয়ান নাগেলসমান। তবে, উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে কেউ যদি বলেন, ‘জার্মানি আসলেই খেলছে জার্মানদের মতো’, তাহলে তিনি খুশি হবেন বেশি।
সেই খুশি সীমাহীন হতে পারে এক যুগের খরা কাটিয়ে, ২০১৪ সালের পর আবার বিশ্বকাপ জিতলে। বৈশ্বিক ফুটবলের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতায় গত দুই আসর তাদের মোটেও ভালো যায়নি। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার বিষাদ সঙ্গী হয়েছিল রাশিয়া ও কাতারে।
চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে এবারও ‘ফেভারিট’ দলগুলোর একটি মানছেন অনেকে। কিন্তু নাগেলমাসমান তাদের সাথে একমত নন পুরোপুরি!
“এই টুর্নামেন্টে আমি নিজেদেরকে ফেভারিটের চেয়ে চ্যালেঞ্জার হিসেবে দেখি এবং এটা আমাদের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।”
দলকে চাপমুক্ত রাখতেই যেন নাগেলসমান ফেভারিটের তকমা সরিয়ে দিলেন। তবে ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক পর্যায়ে ঠিকই বললেন, শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই নামবে জার্মানি।
“টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলের লক্ষ্যই থাকা উচিত শিরোপা জয়। এর মধ্যে আমরাও আছি।”
বিশ্বকাপের জন্য চূড়ান্ত দল এখনও ঘোষণা করেননি নাগেলসমান। কয়েকদিনের মধ্যে তা করবেন। তবে তিনি অভিজ্ঞ ও নতুনের মিশেলে ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়ার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন। জামাল মুসিয়ালা, ফ্লোহিয়ান ভিয়েৎসদের পাশাপাশি প্রাধান্য দেবেন তাদের চেয়েও তরুণদের।
মুসিয়ালা ও ভিয়েৎসের কাছে যে প্রত্যাশা বেশি, সেটাও জানিয়ে রাখলেন ৩৮ বছর বয়সী কোচ।
“সাফল্য পাওয়ার জন্য দলগতভাবে রক্ষণ সামলানো সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। তারা (মুসিয়ালা ও ভিয়েৎস) জানে যে, তারা পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। তবে, তারা এটাও জানে, কেবল তারাই ম্যাচ জেতাতে পারবে না।”
দলীয় প্রচেষ্টায় মূলত বিশ্বকাপে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছানোর ছক নাগেলসমানের। এজন্য তিনি দলকে মাঠে দেখতে চান জার্মানদের মতো দৃঢ়তাপূর্ণ।
“লোকে যদি বলে, হ্যাঁ, এদের খেলা আসলেই একটা জার্মান দলের মতো, তাহলে আমরা বেশি খুশি হবো।”
বিশ্বকাপে ‘ই’ গ্রুপে জার্মানির তিন প্রতিপক্ষ কুরাসাও, কোত দি ভোয়া ও একুয়েডর। ১৪ জুন কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে গ্রুপ পর্বের পথচলা শুরু করবে নাগেলসমানের দল।

