হিন্দু পরিচয়ে সীতাকুণ্ড মন্দিরে আত্মগোপনে ছিল ফয়সাল-মোস্তাফিজ
নিজস্ব প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড শিমুল ভুঁইয়ার পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে অন্যতম কিলারের ভূমিকায় জড়িত ছিল ফয়সাল ভুঁইয়া ও মোস্তাফিজুর রহমান। ১৯ তারিখ তারা দেশে ফেরেন। শিমুল ভুঁইয়ার কাছ থেকে পান মাত্র ৩০ হাজার টাকা। সেই টাকা নিয়ে তারা আত্মগোপনে চলে যান সীতাকুণ্ড পাতাল কালি মন্দিরে। সেখানে তারা হিন্দু পরিচয়ে সীতাকুণ্ড পাতাল কালীমন্দিরে আশ্রয় নিয়ে ২৩ দিন অবস্থান করেন।
সর্বশেষ আজ ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ সেখানে সাঁড়াশি অভিযানে দুজনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় আনে।
তাদের বহন করা হেলিকপ্টারটি বিকেলে পূর্বাচলে ১৮ নম্বর সেক্টরে বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ারের জমিতে অবতরণের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হারুন অর রশীদ।
তিনি বলেন, আমরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনায় তদন্ত করছিলাম। গতকাল শুনলাম তারা খাগড়াছড়ি বা সীতাকুন্ড পাহাড়ের দিকে অবস্থান করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের টিম গতকাল সেখানে সাঁড়াশি অভিযানে যায়। এরপর আজ সকালে আমরা আরেকটি টিম সেখানে যাই। অনেক উঁচু পাহাড়। সেখানে যাওয়া অনেক কঠিন। হেঁটে পৌঁছতে ৭/৮ ঘণ্টা লাগে। আমাদের কাছে যারা মোস্ট ওয়ানটেড তাদের দুজন সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আনার হত্যার মাস্টারমাইন্ড শিমুল ভুঁইয়ার সঙ্গে যারা মূল কাজটি করেছে, যে রুমটিতে সংসদ সদস্য আনারকে হত্যা করা হয়েছে সেখানে ছিল ফয়সাল ভুঁইয়া। যিনি হত্যার আগে ক্লোরোফম দিয়ে অজ্ঞান করা করেছিল আনারকে। আর মোস্তাফিজুর রহমান কিন্তু সংসদ সদস্য আনারকে চেয়ারে বেঁধে বিবস্ত্র করেছিল, মৃত্যু নিশ্চিত করেছিল। এরপর তাকে বাথরুমে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে মূল মাস্টারমাইন্ড শিমুল ভুঁইয়ার সহযোগী হিসেবে ছিল গ্রেপ্তার জিহাদ, আর আজকে গ্রেপ্তার ফয়সাল ভুঁইয়া, মোস্তাফিজুর রহমান।
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

