বাকৃবিতে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ৫৩ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি প্রদান
বাকৃবি প্রতিনিধি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখার উদ্যোগে ৫৩ জন শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। মেধাবী ও অপেক্ষাকৃত অস্বচ্ছল এই দুই ক্যাটাগরিতে আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এই বৃত্তি প্রদান করা হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থী প্রতি সেমিস্টারে ২,৫০০ টাকা করে দেড় বছর পর্যন্ত এ মেধাবৃত্তি পাবেন।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মেধাবৃত্তি প্রদানের বিষয়টি জানিয়েছেন বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম।
বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রচার ও ছাত্র অধিকার সম্পাদক ইউনুস বিন হোসাইন খানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির এর কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আবু নাসির ত্বোহা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শাখা এইচ আর ডি সম্পাদক রাজ আহমেদ ও দাওয়াহ সম্পাদক হাফিজুর রহমান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বাকৃবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রশিবিরের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি’ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করে বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবির। শিক্ষাবৃত্তির প্রচারণায় আমরা বিপুল সাড়া পেয়েছি। তাদের মধ্য থেকে গতকাল সন্ধ্যায় প্রথম ধাপে ৫৩ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। আগামীতেও শিক্ষার্থীদের জন্য কল্যাণমূলক কাজের অংশ হিসেবে মেধাবৃত্তি কার্যক্রম চলমান ও পরিসর আরও বৃহৎ হবে ইনশা আল্লাহ।
বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবির এর সেক্রেটারি আবু নাসির ত্বোহা বলেন, দেশের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী, মেধাবীদের সমন্বয়ে গড়ে ওটা সংগঠন হচ্ছে বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির। ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই বাংলাদেশ প্রশ্নে আপোষহীন। সৎ, দক্ষ ও দেশ প্রেমিক নাগরিক তৈরির ভিশন সামনে রেখেই ছাত্রশিবির এর পথচলা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট ধরে রেখে আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব এই ছাত্র সমাজকেই নিতে হবে। এবং সকল বাধাবিপত্তি পেছনে ফেলে ছাত্র সমাজকে দেশ গঠনে অংশ নিয়ে দেশবাসীকে একটি সোনার বাংলাদেশ উপহার দিতে হবে।
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

