নারায়ণগঞ্জে সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলকের ১২ দিনের রিমান্ড মন্জুর
নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে আদালতে শুনানির সময় সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আদালতকে বলেন, ‘ইন্টারনেট বন্ধের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। এটা আইনের ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বন্ধ করেছিল। সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলককে নারায়ণগঞ্জের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দুটি হত্যা, সদর থানায় একটি হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের মোট ৩টি মামলায় ১২ দিনের রিমান্ড মন্জুর করেছে আদালত।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেলায়েত হোসেনের আদালতে এ রিমান্ড মনজুর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. কাইউম খান।
আদালতে শুনানির সময় সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আদালতকে বলেন, ‘ইন্টারনেট বন্ধের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। এটা আইনের ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বন্ধ করেছিল। বরং ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে আমার সমর্থন ছিল। সেই সময় কেবিনেট সভায় এটা সংস্কার করা হয়েছিল। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে এগুলো মিথ্যা।’
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, “ছাত্র জনতার আন্দোলনে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের নির্দেশে আবুল হাসনাত সজল, শরিফ ও হাফেজ সোলায়মানকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই তিনটি মামলায় পুলিশ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুইটি মামলায় ৭ দিন ও সদর থানায় একটি মামলায় ৫ দিন সর্বমোট ১৯ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে তিন মামলায় ৪ দিন করে মোট ১২ দিনের রিমান্ড মনজুর করেন।
এদিকে বাদীপক্ষের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, আদালতে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না। তিনি নিজেই শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি আদালতে বলেছেন ইন্টারনেট বন্ধের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। আমরা আদালতকে বলেছি, এটা তার জবানবন্দি হিসেবে গ্রহণ করার জন্য। যেহেতু আজ রিমান্ড শুনানি ছিল, আদালত তার এই বক্তব্য জবানবন্দি হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন।
সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলককে নারায়ণগঞ্জের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দুটি হত্যা, সদর থানায় একটি হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের মোট ৩টি মামলায় ১২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেলায়েত হোসেনের আদালতে এ রিমান্ড মনজুর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. কাইউম খান।
আদালতে শুনানির সময় সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আদালতকে বলেন, ‘ইন্টারনেট বন্ধের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। এটা আইনের ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বন্ধ করেছিল। বরং ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে আমার সমর্থন ছিল। সেই সময় কেবিনেট সভায় এটা সংস্কার করা হয়েছিল। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে এগুলো মিথ্যা।’
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, “ছাত্র জনতার আন্দোলনে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের নির্দেশে আবুল হাসনাত সজল, শরিফ ও হাফেজ সোলায়মানকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই তিনটি মামলায় পুলিশ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুইটি মামলায় ৭ দিন ও সদর থানায় একটি মামলায় ৫ দিন সর্বমোট ১৯ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে তিন মামলায় ৪ দিন করে মোট ১২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
এদিকে বাদীপক্ষের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, আদালতে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না। তিনি নিজেই শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি আদালতে বলেছেন ইন্টারনেট বন্ধের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। আমরা
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

