Dark Mode
Sunday, 21 June 2026
ePaper   
Logo
জনজীবনে স্বস্তি ফেরাতে দখলকৃত জায়গা পুনরুদ্ধার করা হবে

জনজীবনে স্বস্তি ফেরাতে দখলকৃত জায়গা পুনরুদ্ধার করা হবে

নিজস্ব প্রতিনিধি

রাজধানীর বৃহৎ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ১৭১ একর জমি অধিগ্রহণ করে ‘রিটেনশন পন্ড’ বা পানি ধরে রাখার পুকুরের জন্য বরাদ্দ করে সরকার। ঢাকা ওয়াসার মাধ্যমে এই পানির আঁধার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। কিন্তু সেই জায়গার সিংহভাগই অবৈধ দখলে। এবার অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করে সেখানে পানির আঁধার সৃষ্টির জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, সরকারি অধিগ্রহণকৃত জায়গায় অবৈধ অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। যার জন্য যে কাজের জন্য জায়গাটি নির্ধারণ করা হয়েছে সেই কাজটি আমাদের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাপনাতে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। সে কারণে এই জায়গাটাকে পুনরুদ্ধার করে আমাদের যে সমস্ত অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা দরকার সেই কাজটি করা হচ্ছে।


মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে গাবতলী বেড়িবাঁধ বালুর মাঠ সংলগ্ন পাম্প হাউস এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুহা. আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এম সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. শরীফ উদ্দীন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব), সিভিল সার্কেল খন্দকার মাহাবুব আলম প্রমুখ।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, কাজটা সম্পন্ন করা পর্যন্ত আমাদের প্রকল্পের কাজও হয়ে যাবে। শুধু উদ্ধার করা নয় এর জন্য প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে যে লক্ষ্যমাত্রা, সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হবে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, কল্যাণপুর, মিরপুর, ধানমন্ডীসহ বিভিন্ন অঞ্চলের পানি এসে এই রিটেনশন পন্ডে জমা হয়। সেই পানি পাম্পের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়। অবৈধ দখলের কারণে পুরো পানির আঁধার এখন বহুতল ভবন, হাউজিং কোম্পানির প্রকল্প ও ভরাট করে বিভিন্ন স্থাপনা করা হয়েছে। মোট ১৭১ একর অধিগ্রহণকৃত জায়গার মাত্র ৩ একর দখলমুক্ত বাকি ১৬৯ একরই অবৈধ দখলে। ফলে ওইসব অঞ্চলে জলাবদ্ধতার সমাধানের বড় বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পুরো এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

Comment / Reply From

You May Also Like

Vote / Poll

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

View Results
হ্যাঁ
0%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%

Archive

Please select a date!