গাইবান্ধায় দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তার মেলা অনুষ্ঠিত
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধায় নারী উদ্যোক্তার পরিচিতি বাড়ানো, বন্ধন তৈরি ও নতুন প্রজন্মকে চাকরির পিছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হবার মেসেজ পৌঁছে দিতে গাইবান্ধা সরকারি কলেজে দিনব্যাপী উদ্যোক্তার অগ্রযাত্রা'র পণ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয় ।
মেলায় স্থানীয় উদ্যোক্তাদের তৈরি গৃহস্থালির টুকিটাকি থেকে শুরু করে কসমেটিকস পন্য যেমন- শাল, থ্রিপিস,ওয়ান পিস,টু পিস,বিছানার চাদর, রাজশাহী সিল্ক,ডালের বড়ি,আচার,কেক, পুডিং,চাপাইনবাবগঞ্জ এর কালাই রুটিসহ বিভিন্ন রকম পণ্যের মোট ৩২ টি ষ্টল এ মেলায় স্থান পায়।
এ মেলায় নতুন পুরাতনসহ অর্ধশতাধিক নারী ও পুরুষ উদ্যোক্তা এতে অংশ গ্রহন করেন।
অগ্রযাত্রা' সংগঠন এর আয়োজনে ২৫ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০ টা হতে বিকেল ৫ টা পযর্ন্ত দিনব্যাপী মেলার আয়োজন করা হয়।
মেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর খলিলুর রহমান ও গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকছুদার রহমান শাহান।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন - গাইবান্ধা সরকারি কলেজের উপাধাক্ষ্য আব্দুর রশীদ, উদ্যোক্তার অগ্রযাত্রা'র উপদেষ্টা শাহানা ইয়াসমিন লাকী,চেম্বার অব কমার্স সিনিয়র সহসভাপতি তৌহিদুর রহমান মিলন, ইয়েস বিডির পরিচালক তাসাদ্দুক হোসেন, উদ্যোক্তার অগ্রযাত্রা'র ফাউন্ডার শারমিন শাহান, রাহাতুল আফকা রিফাত, এডমিন ফরিদা পারভীন,ফাহমিদা কাকুলি,শাহানা ইসলাম লাকীসহ অনেকে।
মেলায় কল্পতরু বুটিক হাউস এর পরিচালক উদ্যোক্তা রনী চাকী" জানান- গাইবান্ধায় যত নারী উদ্যোক্তা রয়েছে তাদের মধ্যে একটা পরিচিতি বন্ধন তৈরি করার জন্য এই মেলা। আমরা কতজন নারী উদ্যোক্তা রয়েছি, কি কি নিয়ে কাজ করছি। কোথা থেকে কাজ করছি সেজন্য আজকের এই আয়োজন। এখানে শাল, থ্রিপিছ, ওয়ানপিস, টু পিস,রাজশাহী সিল্ক, ডালের বড়ি, আচার এসব পাওয়া যায় ও অনলাইনে বিক্রি করি।
মেহুলী বুটিক এর পরিচালক উদ্যোক্তা শারমিন সিমু জানান- হাতের কাজের যাবতীয় পোশাক শাড়ি থ্রিপিস, শ্রীমঙ্গল এর চাসহ বিভিন্ন পোশাক বিক্রি করি। আমরা ঘরে বসে অনলাইনে কাজ করি। পরিচিতি বাড়াতে এই মেলা। চাকরির পিছনে না ছুটে নতুন প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হবার মেসেস পৌছে দিতে এই মেলার আহবান।
গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর খলিলুর রহমান বলেন- কলেজে ১৬ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে সবাই সরকারি চাকুরী পাবেনা। শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ যদি দিনের বেলায় কলেজে বেগুনি, চপ বিক্রি করত তাহলে তাদের আর্থিক দৈন্যতা কমে যাবে। শিক্ষার্থীরা ছোট ছোট ক্ষুদ্র পরিসর মেলায় অংশ গ্রহন এর মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা এই মেলার মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ হবে।
অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে, সবার সরকারি চাকুরী হয়না, এদের কারও বাহিরে যেতে হবে অথবা নিজেদেরকে প্রশিক্ষণ নিয়ে উদ্যোক্তা হতে হবে। কাজ না থাকলে বেকাররা মাদকাসক্তি ও জুয়ায় আসক্ত হয়। এসব থেকে রক্ষার জন্য সবাইকে এই কাজে এগিয়ে আসা উচিৎ। শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা তৈরি হয়ে মানুষের সেবা করতে পারবে। ভাল বিশুদ্ধ খাবার করবে। এতে করে নিজেকে গড়ার পাশাপাশি দেশকে গড়তে পারবে।
Comment / Reply From
You May Also Like
Latest News
Vote / Poll
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট বলে মনে করেন কি?

